গঙ্গাচড়ায় বিজয় বাঁধে ভাঙ্গন এলাকায় আতংক

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৩, ২১:৫০
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিজয় বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে। জানা যায়, ঈদের আগের দিন হঠাত্ করে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পায়। পানি বৃদ্ধির কারণে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর এলাকায় অবস্থিত বিজয় বাঁধের ব্যাপক এলাকা পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালির বস্তা ডাম্পিংসহ বাঁশের পাইলিং দিচ্ছে। গত রবিবার সরেজমিনে দেখা যায়, বিজয় বাঁধের দৈর্ঘ্যে ২৫০ ফুট এলাকা ভেঙ্গে গেছে। প্রস্থে বিজয় বাঁধের ১৪ ফুট টপের ১১ ফুট টপ ধসে গেছে। আর ৩ ফুট অংশ ভেঙ্গে গেলে পানিতে তলিয়ে যাবে গজঘণ্টা, লক্ষ্মীটারী, মর্ণেয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভাঙ্গন রোধে নিয়োজিত রংপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম এসময় বলেন, ভাঙ্গন ঠেকাতে জিও ব্যাগ, লিনথোটক ব্যাগ, গাছপালা ও বাঁশের ডাম্পিং করা হচ্ছে। যাতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে। দাকোপে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি বন্দি ৫ শতাধিক মানুষ খুলনা অফিস জানান, পবিত্র-ঈদ-উল ফিতরের আগের রাতে খুলনার উপকূলীয় উপজেলা দাকোপের শিবসা নদীর ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ভেঙে কালাবগী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে কালাবগী গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়ে গ্রামটির প্রায় ৩ হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এলাকাবাসী জানায়, সারা বছর নদী ভাঙনের আতঙ্কে থাকা উপকূলীয় জনপদ শিপসা নদীর তীরবর্তী কালাবগী গ্রামের ঝুলন্তপাড়ার মানুষের এবারের ঈদ কেটেছে খোলা আকাশের নিচে। ঈদের আগের রাতে ভরা জোয়ারে বেড়িবাঁধের দুইটি স্থানে ২শ’ গজ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ১৫টি চিংড়িঘের ভেসে যাওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আবুল হোসেন জানান, তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কিছু অনুদান দেয়ার পাশাপাশি সরকারি সাহায্য পাওয়ার জন্য জোর তত্পরতা চালানো হচ্ছে।