দেশের ফার্স্ট লেডি, সিনেটর ও সর্বশেষ শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও বাসভবন হোয়াইট হাউসে নিয়মিত যাতায়াত ছিল হিলারি ক্লিনটনের। চার বছর তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পরররাষ্ট্র মন্ত্রী। এ বছরের প্রথম দিকে সেই পদ থেকে বিদায় নেয়ার পর তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েন বক্তৃতা দেয়া ও বিভিন্ন কার্যক্রম উদ্বোধনে। এবার তিনি সেখানে যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন হিলারিকে। খবর সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস ও ডেইলি নিউজ আমেরিকার।
ওবামা গত ২৯ জুলাই হিলারিকে ওভাল অফিসে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ওভাল অফিসের বাইরে তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনা অনেক বিষয়েই আলোচনা হয়। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জোশ আরনেস্ট বলেন, বিরাট বন্ধুত্বের জন্যই মধ্যাহ্নভোজে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। চার বছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ও প্রেসিডেন্ট ওবামার মধ্যে শুধু জোরালো কাজের সম্পর্কই গড়ে উঠেনি প্রকৃত বন্ধুত্বও তৈরি হয়। তার ভিত্তিতেই তাদের মধ্যে প্রায়ই দেখা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বৈঠকের পর ওবামা মধ্যাহ্নভোজে নিয়ে যান হিলারিকে।
একই সময়ে বর্তমান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে হোয়াইট হাউসে দেখা যায়। তবে হিলারির সঙ্গে বৈঠক বা মধ্যাহ্ন ভোজে তিনি ছিলেন না বলে জানান হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জোশ আরনেস্ট। হিলারির ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে জন কেরির বৈঠকের সময় হিলারি কুশল বিনিময় করেন কেরির সঙ্গে।
হিলারির সঙ্গে অসাধারণ মধ্যাহ্ন ভোজ হয়েছে ও ভাল সময় কেটেছে বলে ৭ আগস্ট একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন বারাক ওবামা। আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী বর্তমান সিনেটর জন ম্যাককেইনেরও প্রশংসা করেন ওবামা।
ওবামার মধ্যাহ্ন ভোজের পরের দিন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও তার বাসভবনে হিলারিকে মধ্যাহ্ন ভোজে আমন্ত্রণ জানান।
২০১৬ সালে ডেমোক্র্যাট দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিলারি নারীর ক্ষমতায়নের ওপর কাজ করছেন। তিনি অর্থের বিনিময়ে নানা বিষয়ে বক্তৃতা দেন। তার মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতার ওপর লেখা একটি বই আগামী বছর প্রকাশ হবে।
