সিলেট বিভাগের একমাত্র ভেষজ বাগান কমলগঞ্জে আরোগ্য কুঞ্জে ভেষজ উদ্ভিদ চাষাবাদের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১১ বছরে কার্যক্রম সমপ্রসারিত হয়নি। পরিচর্চার অভাবে যেটুকু আছে তাও হারিয়ে যেতে বসেছে। তার উপর রাতের আঁঁধারে ভেষজ বাগানের মূল্যবান গাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে। অথচ কর্তৃপক্ষের একটু সচেতনতায় ভেষজ এই বাগানকে একটি মডেল বাগান হিসাবে রূপ দেয়া যেতে পারে। জানা যায়, সিলেট বিভাগের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া বনাঞ্চল সংলগ্ন বাঘমারা এলাকায় বন বিভাগের জমিতে ২০০২ সালে দুই একর ও ২০০৩ সালে আড়াই একর এলাকায় ভেষজ বাগান আরোগ্য কুঞ্জ গড়ে তোলা হয়। আরোগ্য কুঞ্জ রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কোন বরাদ্দ না থাকায় এবং বনবিভাগ এর কোন উন্নয়ন কাজ করতে না পারায় ভেষজ বাগান আরোগ্য কুঞ্জ এখন দুরারোগ্য হয়ে পড়ছে। এই বাগান সৃষ্টির পর থেকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে আশিভাগ গাছই বিপদসীমা ছাড়িয়ে গেলেও ভেষজ বাগানে কোন গাছের গায়ে তার নাম সেটে দেয়া হয়নি। বাংলাদেশের প্রায় সব গ্রামাঞ্চলেই এক সময় ভেষজ ঔষধের গাছ পাওয়া যেত। নানা কারণে বর্তমানে তা বিলুপ্তির পথে বসেছে। ১৩ প্রজাতির লতা জাতীয় গাছ-গাছালিসহ আরোগ্যকুঞ্জে লাগানো হয়েছিল ৬৯ প্রজাতির ভেষজ গাছ। এসব গাছগুলো অবহেলা অযত্নে ধ্বংস হতে চলেছে।
