ডুমুরিয়ায় নদী ভাঙনে খর্নিয়া বাজার বিলীন

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৩, ২১:৪৫
ডুমুরিয়া উপজেলাধীন হরিহর নদীর পশ্চিম তীরের চর দখল করে ইটভাটা তৈরি করায় নদী স্রোতের গতিপথ পরিবর্তনের ফলে খর্নিয়া বাজারসহ দু’টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বিলীন হচ্ছে। নদীর ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসী শুক্রবার থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করেছে। তবে সরকারি কোন অনুদান মেলেনি। সোমবার ভাঙ্গন এলাকায় গেলে এলাকাবাসী ও স্থানীয় খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিরারুল ইসলাম দিদার জানান- হরিহর পশ্চিম তীরে চর দখল করে প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাদের ইটের ভাটা তৈরি করা হয়েছে। ইট তৈরির মাটি নদীর মধ্যে বেড়া দিয়ে চর তৈরি করা নদীর স্রোতের গতিপথের পরিবর্তন ঘটেছে। ফলে জোয়ার এবং ভাটার স্রোত পূর্বতীরে খর্নিয়া বাজার, শোলগাতীয়া খর্নিয়া ও খর্নিয়া ভদ্রদিয়া সড়কে আঘাত হানায় এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে জানানোর ফলেও ইটভাটা মালিকদের চর দখল বন্ধ হয়নি। স্রোতের টানে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভদ্রাদিয়া সড়কের শামন্তী জুয়েলার্স ও ভাই ভাই সত্সংঘ ফিস নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ১ কিলোমিটারব্যাপী ভাঙ্গন রক্ষা করতে না পারলে উপজেলার খর্নিয়া, রুদাঘরা, রঘুনাথপুর ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম, শতাধিক চিংড়ি ঘের, ৫ হাজার ফসলী জমি ও ১০ হাজার জনবসতি বিলীন হয়ে যাবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান জানান- ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া খুলনা জেলা প্রশাসক মেজবাহউদ্দিন ভাঙ্গনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে দখলকৃত চর উচ্ছেদ করে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার জানান- জরুরি তহবিল না থাকায় রাস্তা মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না।