গাইবান্ধা থেকে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভোগান্তি

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৩, ২২:০৮
টিকিটের অভাবে গাইবান্ধার যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ফলে ঈদ শেষে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া কর্মজীবী মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে। ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেমন দুষ্কর, তেমনি বাসেরও। এমনকি ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিটও এখন নেই। দূরপাল্ল¬ার বাসে টিকিট আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত অগ্রিম বিক্রি হয়ে গেছে। ফলে কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে লোকজন পড়েছেন চরম বিপাকে । ১৩ ও ১৪ আগস্টের হরতালের কারণে ঐ দুইদিনের বাসের টিকিট যারা কিনেছিলেন তাদের দুর্ভোগ আরও বেশি। কারণ ২০ তারিখের আগে বিকল্প কোন টিকিট পাওয়ার সুযোগ নেই। বাসের মালিকরা এজন্য সিডিউলের বাইরে নতুন কোন কোচের ব্যবস্থা করবেন না বলে কাউন্টার থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে স্থানীয় রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বাড়তি টিকিট সরবরাহের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। বাড়তি বগি না থাকায় অতিরিক্ত টিকিট তারা দিতে পারছেন না। এ পরিস্থিতিতে যাদের ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে যাওয়া জরুরি প্রয়োজন তারা বিকল্প পথে গাইবান্ধার বালাসী ও ফুলছড়ি ঘাট থেকে নৌকায় চেপে বাহাদুরাবাদ ঘাট এবং দেওয়ানগঞ্জে গিয়ে ট্রেন ও বাসে তাদের গন্তব্যে পৌঁছার চেষ্টা করছেন। অনেকেই আবার ট্রাক ভাড়া করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। ট্রেন ও বাসের ছাদেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। ঢাকাগামী এক বাসযাত্রী অভিযোগ করেন, পূর্বে যেখানে গাইবান্ধা থেকে ঢাকার ভাড়া ৪৫০ টাকা ছিল এখন তা বাড়িয়ে ৫৫০ টাকা করা হয়েছে। তাও টিকিট মিলছে না। তবে কালোবাজারীদের কাছ থেকে ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা দিয়ে টিকিট কিনতে দেখা গেছে অনেককে। ট্রেনের টিকিটেও কালোবাজারীদের দাপট লক্ষ্য করা গেছে।