ভোলা চতুর্থ দিনেও অন্ধকারে

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৩, ২২:৩৯
বিদ্যুত্ বিপর্যয়ের চতুর্থ দিনেও ভোলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ চালু করা যায়নি। এদিকে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতা বিদ্যুত্ কেন্দ্রে ভাঙচুর করেছে। ওজোপাডিকোর (ওয়েস্টার্ন জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও এমডি গত তিনদিন ধরে বরিশালের লাহারহাটে অবস্থান করে সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগের কাজ সার্বক্ষণিক তদারক করছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় লাহারহাটে অবস্থানরত ভোলা বিদ্যুত্ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুল মাজেদ জানান, মালামাল সংযোগের কাজ সম্পন্ন করে চারটি ট্রলারে লোড করা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার বাউফলের নদী তীরের গ্রিড বিপর্যস্ত এলাকায় পৌঁছে তারা সম্ভব হলে মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই সাবমেরিন ক্যাবল নদীর তলদেশে স্থাপন করবেন। ওজোপাডিকোর এমডি ও চিফ ইঞ্জিনিয়ার জানান, মঙ্গলবার রাতে অথবা আজ সকালে বিদ্যুত্ লাইন চালু করা যাবে। তবে এই লাইন থেকে যে বিদ্যুত্ পাওয়া যাবে তা দিয়ে ভোলার আংশিক বিদ্যুত্ চাহিদাও মিটবে না। ভোলায় জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুত্ সরবরাহের দ্বিতীয় মাধ্যমটি হল বরিশাল থেকে ভোলায় সরবরাহ। তবে গ্রিড লাইনের কালাবাদর নদীতে ৭ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন এখনই হচ্ছে না। তবে ভোলা বিদ্যুত্ বিভাগ জানায়, এ লাইনটি চালু হলেও ভোলার বিদ্যুত্ চাহিদা ৫০ ভাগও মিটবে না। কারণ ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সঞ্চালন লাইনটি বহু পুরানো। এদিকে জেলা-উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একটানা বিদ্যুত্ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে বহু বৃদ্ধ ও শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ছে। অনেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। চতুর্থ দিনেও পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় জেলা ও উপজেলায় পানির জন্য হাহাকার। ইলিশ মৌসুমে ধরাপড়া ইলিশ সংরক্ষণের অভাবে পচে যাচ্ছে। বিদ্যুত্ না থাকায় বরফ কলগুলো এখনো বন্ধ।