ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ইভটিজিংয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ৭ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, শাহপুর গ্রামের মামুন নামের এক যুবক সোমবার বিকালে এক তরুণী আত্মীয়কে নিয়ে উপজেলার আড়াইবাড়ি গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা আড়াইবাড়ি গ্রামের বখাটে জীবন নামে এক যুবক তাদের লক্ষ্য করে কটূক্তি করে। এ নিয়ে মামুনের সঙ্গে অন্যদের হাতাহাতি হয়। রাতে মামুন একা ফেরার পথে জীবন ও তার সঙ্গীরা আবার তাকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মামুনের শাহপুর গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানায়।
এক পর্যায়ে জীবনের পক্ষ নিয়ে আড়াইবাড়ির লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের লোক সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক লাঠিচার্জ ও শতাধিক রাবার বুলেট ছোঁড়ে। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশের ৭ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।
সংঘর্ষে আহতরা পুলিশের ভয়ে জেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিত্সা ও ভর্তি হয়েছে। আহতদের বেশিরভাগই পুলিশের ছোঁড়া রাবার বুলেটে আহত হয়েছে। পুলিশ সংঘর্ষস্থল থেকে ৪ দাঙ্গাবাজকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় পুলিশ ১৭ জনের নাম উল্লে¬খসহ অন্তত পাঁচ-ছয়শ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে মামলা করেছে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বদরুল আলম তালুকদার জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত। সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
