সৈয়দপুরে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার কাগজের ঠোঙ্গা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ভিন্ন পেশার পাশাপাশি এসব পরিবারের সদস্যরা ঘরে বসে কাগজের ঠোঙ্গা তৈরি করে উপার্জিত আয়ের মাধ্যমে সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছে।
প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার কাগজের ঠোঙ্গা তৈরি করে স্বাবলম্বী হয়েছে।
শহরের চুড়িপট্টি এলাকার ঠোঙ্গা ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন জানান, পলিথিনের শপিং ব্যাগ বিক্রি ও তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কাগজের ঠোঙ্গার চাহিদা বেড়েছে। তাই নিজ বাড়িতে কারিগর রেখে ঠোঙ্গা তৈরি করে নিজেই বিক্রি করছি।
এছাড়া রেলওয়ে লাইনের ধারে ও শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে মিষ্টির প্যাকেট।
চািহদামতো এগুলো সরবরাহ করা হচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। সৈয়দপুর বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী জানান, এ শিল্পটির বিকাশে একমাত্র বাধা পলিথিন শপিং ব্যাগের যত্রতত্র ব্যবহার।
পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ হলে এই শিল্পের বিকাশ ও পেশায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন তিনি।
