বটিয়াঘাটায় ২৮৮৫ জন ভিজিএফের চাল পায়নি

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৩, ২০:৪৮
উপজেলার সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে বিরোধ এবং আইনগত জটিলতার কারণে ২৮৮৫ জন দুঃস্থ ঈদে ভিজিএফ চাল পায়নি। ফলে ২৮.২৮৫ টন চাল বিতরণ না হওয়ায় দুঃস্থরা ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুঃস্থ লোকদের মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়। গত ৪ আগষ্টের মধ্যে দুঃস্থদের তালিকা তৈরি করে পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জমা দেয়ার নির্দেশ ছিল। ৭ আগষ্টের মধ্যে চাল গ্রহণ এবং দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণের কথা থাকলেও ইউপি চেয়ারম্যান হেমায়েত আলী তালিকা দিতে ব্যর্থ হয়। এসময়ের মধ্যে ইউনিয়ন ভিজিএফ কমিটির ২৩ সদস্যের ১৮ জন স্বাক্ষরিত একটি তালিকা ইউপি সচিবের মাধ্যমে ইউএনওর নিকট প্রেরণ করেন। ইউএনও শান্তি মনি চাকমা রেজুলেশনে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকায় বিষয়টি খুলনা জেলা প্রশাসককে অবগত করলে তিনি মন্ত্রণালয়কে জানান। পরে আইনগত জটিলতার কারণে চাল না দেয়ার জন্য ইউএনওকে নির্দেশ দেন। ইউএনও শান্তি মনি চাকমা ইত্তেফাককে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান হেমায়েত আলী আদালতের নির্দেশে বহিষ্কারের পর থেকে ঐ ইউনিয়নে চরম জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে ওয়ান পার্সেন্টের ৬০ লাখ টাকা পড়ে আছে।