এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে ক্যারিয়ার

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৩, ২০:৪৯
উড়োজাহাজ ইঞ্জিনিয়ারিং মানে এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পড়ালেখা। এএমই লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি উড়োজাহাজে যাবতীয় এবং আন্তজার্তিক মান নিশ্চিত করে। বিশেষ করে অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কিনা তা সম্পর্কে পাইলটরা সব ধরনের তথ্য নিয়ে থাকে তার কাছ থেকে। উড়োজাহাজের যাত্রী এবং পাইলটদের জীবন ও তাদের নিরাপদে পৌঁছানো অনেকটাই নির্ভর করে এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারের উপর। কেননা সে যদি কোনো ভুল তথ্য দিয়ে থাকে তবে, উড়োজাহাজ নিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়বে। এই ডিগ্রির আরও কয়েকটি নাম রয়েছে। যেমন, অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, উড়োজাহাজ প্রকৌশলী ইত্যাদি। প্রথম যে দিন থেকে উড়োজাহাজ চলা শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই প্রয়োজন হয়েছে অ্যারোনেটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের। সময়ের সাথে ঘটছে শিল্পের বিকাশ। আর সাথে সাথেই বিশ্বজুড়ে ব্যাপকসংখ্যক ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজন পড়ছে প্রতিনিয়ত। আমাদের দেশে এই বিষয়টি অনেকের জন্য নতুন মনে হতে পারে। কিন্তু এএমই লাইসেন্স অর্জনে এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে দেশের সুবিধাজনক পর্যায়ে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে অতি সম্প্রতি। যার কারণে সবাই কম খরচে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারছে। মোটকথা অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা রয়েছে বিশ্বজুড়ে। এয়ারলাইন্স শিল্পে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা এতটাই বেশি যে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পূর্বেই শিক্ষার্থীদের চাকরিতে রয়েছে হাতছানির ডাক। সাধারণ চাকরি পেতে যেখানে প্রার্থীদের গাদা গাদা সার্টিফিকেট নিয়েও অফিসে অফিসে ঘুরতে হয়, সেখানে এভিয়েশন সেক্টরে চাকরির সুযোগ অনেকটাই অবারিত। প্রয়োজনের তুলনায় অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের পরিমাণ কম থাকায় এই বিষয়ে চাকরির সুযোগটা আসলে বেশি থাকে। আর এই সেক্টরে চাকরিতে রয়েছে উচ্চ বেতন, তেমনি দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানোর লোভনীয় সুযোগটাও রয়েছে। তাই এভিয়েশন সেক্টরকে তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য শিক্ষাবোর্ড এডেক্সলে কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজি (ক্যাটেক) এএমই লাইন্স পেতে ন্যাশনাল ডিপ্লোমা এবং হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে। কলেজটির প্রথম ব্যাচের কয়েকশ শিক্ষার্থী ইংল্যান্ড, আমেরিকা, কানাডা, জার্মানি, আয়ারল্যান্ডসহ উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে চাকরি/ইন্টার্নি করতে চলে গেছে। তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে দু’এক মাস পরেই। এই বিষয়ে পড়ালেখা, চাকরির সুযোগ কিংবা দেশের বাইরের ক্যারিয়ার প্রভৃতি বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে ফোন করুন ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১, ০১৯২৬৯৬৩৬৫৫ নম্বরে। এ ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে সশরীরে এসেও সব তথ্য জেনে নিতে পারবেন। এস এসসি/এইসএসসি, এ-লেভেল /ও-লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারবে। চার বছরে বাংলাদেশের সর্বসমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার্বোড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অর্নাস ডিগ্রি অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ১৮ মাস সময়ের কোর্স সম্পন্ন করে পাওয়া যায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্টিফিকেট লেভেল থ্রি বা এনডি। পরের ১৮ মাসের পড়ালেখা শেষে মিলবে হায়ার ন্যাশনাল ডিগ্রি বা এইচএনডি। এই তিন বছরের পরে গিয়ে চূড়ান্ত বছরে অর্থাত্ চতুর্থ বছরে সম্পন্ন করতে হবে এক বছরের টপ-আপ বিএসসি। এই র্কোস শেষ করে শিক্ষার্থীরা চাইলেই ইংল্যান্ডের কভেন্টি, কিংসস্টোন, স্যালফোর্ড, ক্রেইনফিল্ড প্রভৃতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের যেকোনো দেশের এডেক্সেল অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজেই চূড়ান্ত বর্ষে ভর্তি হতে পারবে। এর শিক্ষা পদ্ধতি অনেক সহজ। এ ছাড়া এই কোর্সে বিশ্বের ১৭৩টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। এই কোর্স করতে ১৮ মাসের লেভেল-৩ বা এ লেভেল করতে সর্বমোট খরচ পড়বে ৩ লাক্ষ টাকা। পরের ১৮ মাসের লেভেল-৫ করতে খরচ সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা। সর্বশেষ ১ বছর টপ-আপ বিএসসি’র খরচ দিতে হবে কিংস্টন ইউনিভার্সিটিতে। এই ১ বছরের টিউশন ফি সেমিস্টারভিত্তিতে দিতে হবে। যোগাযোগ :কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজি, বাড়ি-১৪, রোড-২, সেক্টর-১১, উওরা, ঢাকা।