জেলা সদর হাসপাতাল ও ৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারদের মঞ্জুরিকৃত পদ ১৩৪ জন। বর্তমানে কর্মরত ২৭ জন। ফলে চিকিত্সা সেবা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ ও দরিদ্র রোগীরা হাসপাতালে এসে চিকিত্সা সেবা না পেয়ে বাড়িতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকে অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে চিকিত্সা নিচ্ছে।
সদর হাসপাতালে ডাক্তারের মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ৩৮ জন, বর্তমানে কর্মরত ১১ জন। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ জন ডাক্তারের স্থলে বর্তমানে শুধুমাত্র উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মরত রয়েছেন।
আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭ জনের স্থলে ২ জন। প্রায় ২ বছর ধরে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটিতে রয়েছেন।
হাতীবান্ধা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৯ জন ডাক্তারের স্থলে ১ জন ডাক্তার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্মরত। পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন ডাক্তারের স্থলে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ৬ জন কর্মরত। কালীগঞ্জ উপজেলায় ২৮ জন ডাক্তারের স্থলে বর্তমানে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মরতসহ ৫ জন কর্মরত।
সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম সদর হাসপাতাল, উপজেলা হাসপাতাল ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ডাক্তার সংকটের কথা স্বীকার তিনি বলেন, জেলায় নিয়োজিত ডাক্তারদেরকে বদলি, অন্যত্র নিয়োগ, অন্যত্রে সংযুক্ত, উচ্চতর শিক্ষা ইত্যাদি কারণে ডাক্তারের সংখ্যা কমে গেছে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা সত্ত্বেও ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছে না।
