++ আর্নেস্ট হেমিংওয়ে একবার তার এক প্রতিবেশীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সেখানে একটি বই দেখে ভীষণ লোভে পড়ে গেলেন। কিন্তু প্রতিবেশী লোকটি কিছুতেই হেমিংওয়েকে বইটা বাড়িতে নিয়ে পড়ার অনুমতি দিলেন না। তার সাফ কথা, ‘এখানে বসে যতক্ষণ খুশি বইটা পড়তে পারো, কিন্তু বাসায় নেওয়া চলবে না।’ বলা বাহুল্য, মুখে কিছু না বললেও মনে মনে এতে দারুণ ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন হেমিংওয়ে। মজার বিষয় হলো এর কিছুদিন পরেই ওই প্রতিবেশী ভদ্রলোক গিয়ে হাজির হেমিংওয়ের বাড়িতে। তিনি জানালেন তার ঘাস কাটার যন্ত্রটি বিগড়ে গেছে। তাই হেমিংওয়েরটা ধার পেলে বিশেষ উপকার হয়। মওকা বুঝে এবার হেমিংওয়েও তার প্রতিবেশীকে জানিয়ে দিলেন, ‘তুমি যতক্ষণ খুশি ঘাস কাটার যন্ত্রটা এখানে আমার বাড়িতে ব্যবহার করতে পারো। তবে এটাকে কিছুতেই তোমার বাড়ি নিয়ে যাওয়া চলবে না!’
++ চার্চিলের আশিতম জন্মদিনে এক আলোকচিত্রী তার ছবি তুলতে তুলতে বললেন, ‘আশা করি আপনার শততম জন্মদিনেও এভাবে ছবি তোলার সুযোগ পাবো।’ কথাটাকে মাটিতে পড়তে না দিয়ে চার্চিল সাথে সাথেই উত্তর দিলেন, ‘নিশ্চয়ই তুলবে, তোমার শরীর স্বাস্থ্য এখনও বেশ ভালো বলেই তো মনে হচ্ছে!’
++ অস্কার ওয়াইল্ড একবার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন কী একটা বিষয়ে যেন বক্তব্য দিতে। তো দেশে ফেরার সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের শুল্ক বিভাগের এক কর্মী তাকে চিনতে না পেরে প্রশ্ন করল, ‘দেখুন গোপনে কিছু সাথে করে নিয়ে যাচ্ছেন না তো আবার?’ অস্কার ওয়াইল্ড উত্তরে বললেন, ‘নিচ্ছি, আমার প্রতিভা!’
