মনপুরায় ট্রলারে জলদস্যুদের গুলি, ২ জেলে আহত

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৭
ভোলার মনপুরায় বুধবার চরপিয়াল ও চরনিজাম সংলগ্ন মেঘনায় ৩টি জেলে ট্রলারে জলদস্যুরা গুলিবর্ষণ করে হামলা চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুল জলিল (৫০) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। গুলিবিদ্ধ আরেকজন হাসান মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় জলদস্যুরা নূরনবী মাঝির ট্রলারে থাকা ১১ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় পথে হাতিয়ার বন্দরটিলায় ১০ জনকে নামিয়ে দিয়ে মেস্তরি কামাল (৩০) নামে এক জেলেকে হাতিয়ার গহীনে বনে নিয়ে যায় বলে ফিরে আসা জেলেরা জানান। সূত্র জানায়, নীরব মাঝি, নূরনবী মাঝি ও হাসান মাঝি মনপুরার চরনিজাম ও চরপিয়াল সংলগ্ন মেঘনায় বুধবার ভোরে মাছ শিকার করছিলেন। এ সময় হাতিয়ার কালাম বাহিনীর জলদস্যুরা অতর্কিত গুলি করতে করতে জেলেদের উপর হামলা চালায়। জলদস্যুদের গুলিতে নূরনবী মাঝির ট্রলারে থাকা আবদুল জলিল (৫০) গুলিবিদ্ধ হয়ে মেঘনায় পড়ে যায়। ট্রলারের অপর মাঝি হাসান গুলিবিদ্ধ হয়েও নিজের মাছ ধরার ট্রলার চালিয়ে উপকূলে পৌঁছালে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল হাসপাতালে নেয়া হয়। এদিকে যোগাযোগের জন্য জলদস্যুরা একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে গেলেও ট্রলার ২টির মালিক আক্তার অপহূত জেলের নিরাপত্তার কথা বলে মোবাইল নাম্বার সাংবাদিকদের দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ গুলিবিদ্ধ আবদুল জলিলকে (৫০) উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম আজিজুল হক জানান, ডাকাতির খবর পেয়ে চরনিজামের ফাঁড়ির পুলিশ ধাওয়া দেয়। দিলে জলদস্যুরা গহীন বনে পালিয়ে যায়। তবে জলদস্যুদের হাত থেকে ৮ জেলে উদ্ধারের কথাও তিনি বলেন।