আবারও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বাফার স্টক সার গুদাম থেকে ডিলারদের দীর্ঘ দিন পড়ে থাকা জমাট বাঁধা ইউরিয়া সার গছিয়ে দেয়া হচ্ছে। এ সার ডিলাররা চাষিদের কাছে বিক্রি করছে। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসেও এ গুদাম থেকে জমাট বাঁধা ইউরিয়া সার বিসিআইসির ডিলারদের গছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ সার ক্ষেতে ব্যবহার করে ফল পায় না চাষি।
এব্যাপারে অনুসন্ধানে জানা যায়, বগুড়ার সান্তাহার বাফার স্টক গুদামে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা সার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ গুদামে পাঠানো হচ্ছে। এ গুদাম থেকে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ জেলার বিসিআইসি’র ডিলারদের সরবরাহ করা হয়। ঝিনাইদহের শৈলকুপা শহরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিলার জানান, এক রকম চাপে ফেলে জমাট বাঁধা সার তাদের গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। না নিয়েও উপায় নেই তাদের। চাষির কাছে বিক্রি করলে বাড়ি নিয়ে শাবল দিয়ে ভাঙ্গতে হচ্ছে। কেউ কেউ আবার ফেরত দিয়ে যাচ্ছে।
গুদাম কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, এ পর্যন্ত ৬ হাজার টন এ ধরনের সার সান্তাহার থেকে এসে পৌঁছেছে। গুদামের ভিতর জায়গা না থাকায় বাইরে রাখা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, গত বছরে সান্তাহার থেকে পাঠানো জমাট বাঁধা ৩ হাজার টন সার গুদামে পড়ে আছে। ডিলারগণ এ সার নিতে চান বলে তিনি জানান। জেলা সার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ জয়নুল আবেদীন বলেন, বিদেশ থেকে আমদানি করা এ সার ২০০৮ সালে তৈরি। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষি অফিসার জানান, এ সার জমিতে ব্যবহার করে চাষি কোন ফল পাবে না। দীঘদিনে সারের মান নষ্ট হয়ে গেছে।
