প্রতি বছর ঈদ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকেই ঘরমুখো মানুষের তত্পরতা থাকে। ঠিক তেমনি প্রয়োজনের তাগিদে আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই নির্ধারিত ছুটি শেষে ভাণ্ডারিয়াসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের শহরে বিভিন্ন কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই ঈদের পর জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘন্টা হরতাল শেষে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ ও সড়ক পথে বাড়ছে কর্মজীবী মানুষের ভিড়। এ কারণে মাঝ নদীতে ট্রলার ও নৌকায় করে যাত্রীরা লঞ্চে উঠছে। এদিকে স্টিমার ও লঞ্চে উঠতে মোড়লগঞ্জ, চরখালী, হুলারহাট ঘাটে প্রতিদিন রয়েছে যাত্রীদের ভিড়। নৌযানের সংখ্যা বেশি থাকলেও ঈদ শেষ হওয়ার পর পরই ২ দিনের হরতালের কারণে এ ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক পথে ভাণ্ডারিয়াসহ দক্ষিণাঞ্চল থেকে খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও রাজধানী ঢাকায় যেতে দিনে-রাতে বাস চলাচল করলেও যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ আছে। কিন্তু অদক্ষ ড্রাইভার আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মকে উপেক্ষা করে চলছে যাত্রীবাহী গাড়িগুলো। ঝুঁকি নিয়ে চলায় ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাণ্ডারিয়া-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে জেলার স্থানীয় মল্লিক বাড়ি সংলগ্ন সড়কে গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে ভাণ্ডারিয়াগামী একটি বাসের সাথে ভাণ্ডারিয়া থেকে বরিশালগামী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশালগামী বাসটি খাদে পড়ে যায়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খাদে পড়া বাসটি উদ্ধার কাজ চলছিল। এ সময় স্থানীয় বয়স্কদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, অন্তত ঈদের সময় সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে যত্রতত্র ছোট যান সাময়িকভাবে চলাচল বন্ধ রাখলে দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। যোগাযোগ মন্ত্রীর এ জনবান্ধব নির্দেশ উপেক্ষা করা হচ্ছে।
