সাতক্ষীরার দেবহাটায় জামায়াতের নৃশংসতার শিকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন অবশেষে মারা গেলেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিন দিন চিকিত্সাধীন থাকার পর গতকাল শুক্রবার সকালে তিনি মারা যান।
জানা যায়, আলমগীর পেশায় একজন ট্রাকচালক। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের স্থানীয় রাজনীতির সাথেও যুক্ত ছিলেন। তিনি দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া শেখপাড়া গ্রামের শেখ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, জামায়াত-শিবিরের ডাকা ৪৮ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিন ১৩ আগস্ট কালিগঞ্জ মহাসড়কের গাজীরহাটের গরানবাড়িয়া রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে একা পেয়ে লাঠি ও দা দিয়ে হামলা চালায় জামায়াত-শিবির কর্মীরা। এতে তার মাথা, মুখমন্ডল ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ব্যাপক আঘাতপ্রাপ্ত হয়। প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও উন্নত চিকিত্সার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
আলমগীরের মৃত্যুর খবরে তার বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, ঐ দিন পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় তাকে জীবন দিতে হয়েছে।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোল্যা জাহাঙ্গীর হোসেন পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
