ভোলার বিদ্যুত্ কেন্দ্রটিকে ২০ মেগাওয়াটে উন্নীতের দাবি

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৩, ২২:২২
ভোলার বিদ্যুত্ উত্পাদন ও বিতরণের বেহাল দশায় আপদকালীন সময়ের জন্য সেখানে ৬ মেগাওয়াট ডিজেল বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি সচল করে অন্তত ১০ থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ৬ মে. বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক জানান, এরকম ব্যবস্থা নিলে আলাদা অবকাঠামোসহ অন্যান্য সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হবে না। এখানে ৮ মে. চারটি ইঞ্জিনের স্থাপনা রয়েছে। অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর স্টাফ কোয়ার্টার রয়েছে। শুধুমাত্র ১০ থেকে ২০ মে. চারটি ইউনিট বসালেই এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি সচল হয়ে যাবে । ভোলার বোরহানউদ্দিনে শাহবাজপুর গ্যাস ফিল্ডের গ্যাস দিয়ে পিডিবি ২২৫ মে. বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন করছে। কাজ শেষ করতে লেগে যেতে পারে ২-৩ বছর। এ কেন্দ্রে উত্পাদিত বিদ্যুত্ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। স্বাভাবিক সময়ে প্রয়োজনে ৬ মে.বিদ্যুত্ কেন্দ্রের উত্পাদিত বিদ্যুত্ ২২৫ মে. বিদ্যুত্ কেন্দ্রে ট্রান্সফার করা যাবে। বর্তমানে এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রের একটি ব্যতীত দুই ইউনিটের ৬ মে. ইঞ্জিন বিকল। বিদ্যুত্ পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি শনিবার ভোলায় রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র বন্ধ ও মেরিন ক্যাবল বিপর্যয়ের ৬ দিন পরেও ৩৩ কেভি গ্রিড সঞ্চালন লাইনের কালাবাদর নদীতে সাবমেরিন ক্যাবল পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার রাতে ভোলা পটুয়াখালী সঞ্চালন লাইনের সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করে বিদ্যুত্ চালু করলেও ব্যাপক লো-ভোল্টেজসহ গ্রাহকরা আংশিক এলাকায় বিদ্যুত্ পাচ্ছে। এতে ফ্রিজ চলে না, কম্পিউটার ওপেন হয় না, পানি তোলা যায় না ও লো-ভোল্টেজের কারণে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। পটুয়াখালী থেকে দৈনিক ২০ মে. চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ১০ মেগাওয়াট। তবে রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র চালু না হলে সমস্যার কোন সমাধান হবে না বলে প্রকৌশলীরা জানান।