ই ম রু ল নূ র
‘ইন্ডাস্ট্রিতে নতুনেরা প্রতিনয়তই নানা সমস্যার মুখোমুখি হন। একজন শিল্পীকে অনেক স্ট্রাগল করে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। স্ট্রাগল করার পরও কেউ হয়তো এগোতে পারেন, আবার অনেকেই পারেন না। কারণ এখানে একটা প্লাটফর্ম থেকে বের হওয়ার পর নিজের একটা মৌলিক গান পেতে অনেক বেগ পোহাতে হয় নতুন শিল্পীকে। অনেক জায়গায় ঘুরতে হয়, তারপর যদি কাজের সুযোগ মেলে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফল হয় নেতিবাচক। নিজের মৌলিক গান ছাড়া একজন শিল্পীর পরিচয় দেওয়ার মতো কিছুই থাকে না।’ কথাগুলো বলছিলেন ‘বাংলার গান’ রিয়ালিটি শো’র মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠশিল্পী অংকন ইয়াসমিন। সংগীত বিষয়ক এই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানার আপ হওয়ার পর থেকে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন বিভিন্ন টিভি ও স্টেজ শোয়ের মাধ্যমে। সেইসঙ্গে গানের চর্চাটা চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিতই। গত বছরের শেষের দিকে নিজের প্রথম মৌলিক গান নিয়ে হাজির হয়েছিলেন প্রতিভাবান এই শিল্পী। ‘ভালো থাকতে দিলি না’ শিরোনামের এই গানটি থেকে ভালো সাড়াও পেয়েছেন। রিয়ালিটি শো থেকে বের হওয়ার দুই বছর পর প্রকাশ করতে পেরেছেন নিজের মৌলিক গান। এ প্রসঙ্গে অংকন বলেন, ‘নতুনেরাই একদিন পুরনো হয়। পুরনোরাও একসময় নতুন ছিল। কিন্তু একজন নতুন শিল্পীর নিজের পরিচয় তৈরি করে নিতে গিয়ে জীবনের অর্ধেকটা সময়ই চলে যায়। নতুনদের কেউই সুযোগ দিতে চান না, ভরসা করতে পারে না। কিন্তু নতুনরা যদি ভালো সুযোগ পায় তাহলে যে তাঁরাও জ্বলে উঠতে পারে এদেশে তার উদাহরণ অনেক রয়েছে। একজন শিল্পীর পরিচয় তাঁর অ্যালবামে। কিন্তু এখন আর সেই যুগ নেই। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেক কিছুই আজ হারিয়ে গিয়েছে। অনেকেই আবার সেই ফিতা বা সিডির যুগে জন্মাতে না পেরে আফসোসও করেন।’ কিছুদিন আগে সর্বশেষ একটি কাভার গান প্রকাশ করেছেন অংকন। সম্প্রতি নতুন একটি মৌলিক গান কণ্ঠ দিয়েছেন এই শিল্পী। সেটি হলো ‘আমারে ছাড়িয়া বন্ধুরে কোন আকাশে চন্দ্র হইয়া জ্বলো’। গানটি লিখেছেন লালন লোহানি এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শান শেখ। খুব শিগগিরই গানটি প্রকাশ করা হবে। নতুন এই গানটি নিয়ে অংকন বলেন, ‘খুব অসাধারণ একটি গান। আমি যেহেতু বিরহের গান গাইতে পছন্দ করি, তাই সেই গানের কথাগুলোকে নিজের ভেতর ধারণ করে, সেই কষ্টটা অনুভব করে গানটা গাই।’ খুব শিগগিরই অংকনের আরো নতুন কিছু মৌলিক গান ও কাভার গান প্রকাশিত হবে। সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ফোক ফিউশন শো অনুষ্ঠানটি শেষ করেছেন তিনি।
