একজন বুড়ো মানুষ একটি অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার। আমাদের দেশের অধিকাংশ বৃদ্ধের মৃত্যু হয় তাদের অভিজ্ঞতাগুলো অন্যদের কাছে না দিয়েই। সকল শিশুবিদ্যালয়ে ভারি ভারি বই-এর চেয়ে বুড়ো-বুড়িদের আড্ডাখানা করলে হয়তো কোমলমতি শিশুরা ঐ সব দাদাভাই বা দাদীমা থেকে যে জ্ঞান অর্জন করতে পারতো তা হয়তো অনন্য হতো। সেই শিক্ষা হতো প্রকৃত শিক্ষা। জাপানে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনে বৃদ্ধদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। যাঁরা গল্পের মাধ্যমে তাঁদের জীবনের অর্জিত সকল জ্ঞান শিশুদের দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের গল্প রের্কড করা হয়। প্রয়োজন মতো রেকর্ড থেকে তা বই বানানো হয়। আমাদের দেশের বুড়ো দাদা-দাদীদের স্কুলগুলোতে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কাজী মাহমুদুর রহমান
উত্তরা, ঢাকা
