মংলায় বর্বরতার শিকার গৃহবধূ

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৩, ২১:৫৮
মংলায় স্বামীর বর্বরতার শিকার হয়ে এক গৃহবধূ হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে। ওই স্বামী তাকে হাসপাতালে ভর্তি না করে তার বাড়িতে ৫ দিন আটকে রাখে। বৃহস্পতিবার নির্যাতিত গৃহবধূর বাবা আবু হানিফ এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে মংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়েছেন। এব্যাপারে মংলা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মংলার প্রত্যন্ত পল্লী সোনাইলতলা গ্রামের নির্যাতিত গৃহবধূ ফাতেমা (২৪) জানায়, ২০০৯ সালে সে একই গ্রামের জাহিদের সাথে বিয়ে হয়। কিছুদিন তাদের সংসার শান্তিতে কাটলেও জাহিদ পুনরায় পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকে ফাতেমার ওপর প্রায় চালানো হয় নির্মম নির্যাতন। ঈদের রাতে ফাতেমাকে তার স্বামী নির্যাতন চালিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে টর্চলাইট দিয়ে আঘাত করে থেঁতলে দেয়। একপর্যায় ফাতেমা জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তার মাথার চুল কেটে ফাটা স্থানে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে দেয়। ৫ দিন পর ফাতেমার বাবা খবর পেয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় তার মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে অভিযোগ তদন্তকারী মংলা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আলতাফ হোসেন জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে মামলা গ্রহণ করবেন।