চলনবিলে বেড়েছে সাপের উপদ্রব

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৩, ২২:০০
বর্ষা মৌসুমে চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে চলনবিলে সাপের উপদ্রবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মানুষ। সাধারণত বর্ষাকালে মাঠঘাট ডুবে যাওয়ায় বিভিন্ন প্রকারের সাপ জল থেকে স্থলে উঠে আসে। সচরাচর গোখরা, দাড়াজ, মাইছালাত, ধোঁড়া, বড়া, ঘরমুনি, আলাতসহ নানা নামের সাপ নিয়ে চলনবিলের মানুষকে এ সময় বসবাস করতে হয়। প্রতি বছরই অর্ধ-শতাধিক মানুষ সাপের দংশনে মারা যান। এদিকে চলনবিলের চাটমোহর, গুরুদাসপুর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম, ভাঙ্গুড়া ও তাড়াশ উপজেলায় সাপের উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। গত এক মাসে সর্প দংশনে ৮ জন মারা যাবার খবর পাওয়া যায়। সাপের দংশনে আক্রান্ত রোগীর চিকিত্সায় ব্যবহূত এন্টিভেনম সিরাম প্রতিষেধক কয়েকটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের অভাবে প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। চলনবিলের ৯ উপজেলায় বর্ষার পানি আসায় বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটে সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। বর্তমানে অনেকে সাপের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে বাড়িতে কার্বলিক এসিড ব্যবহার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীর চিকিত্সায় ব্যবহূত এন্টিভেনম সিরাম প্রতিষেধক প্রয়োগ করার কোনই নজির নেই। সাপুড়ে, ওঝা বা অন্য কারো দ্বারস্থ হতে হয় রোগীর লোকজনকে। এ ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের আরওএম ডাঃ সবিজুর রহমান জানান, হাসপাতালে এন্টিভেনম সিরাম ছিল। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের অভাবে তার প্রয়োগ না থাকায় ওই প্রতিষেধকের সাপ্ল¬াই নেয়া হয় না।