উপজেলার ২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ দিলেও উপদেষ্টাদের অনুমোদনের অভাবে ৪ মাস ধরে ঝুলে আছে। গত মার্চ মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে প্যানেল তৈরির মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট তালিকা প্রেরণ করেন। নিয়ম অনুযায়ী ইউএনও তালিকায় কমিটির দুই উপদেষ্টা সংসদ সদস্য ননী গোপাল মণ্ডল ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খানের অনুমোদনের জন্য এপ্রিলের প্রথমদিকে তাদের নিকট পাঠান। অদ্যাবধি তারা আনুমোদন না দেয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে আছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জানতে চাইলে তিনি ইত্তেফাককে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা এমপি ননী গোপাল মণ্ডলের সাথে আলাপ করলে তিনি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের তার সামনে হাজির করার কথা বলেন। অথচ এমন কোন নিয়ম নেই। এ প্রসঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খানের সাথে ফোনে আলাপ করলে তিনি বলেন, তিনজনের প্যানেল তৈরি করে তার নিকট পাঠিয়ে বলা হয়েছে প্রথমজনকে অনুমোদন দিতে। সে কারণে স্বাক্ষর দেয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে নিয়োগ সম্পন্ন হতে বিলম্ব হওয়ায় বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহতসহ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
