শিমুল মুস্তাফার আবৃত্তিতে মুগ্ধ শ্রোতা

আপডেট : ১৫ মে ২০১৯, ১৭:৫৫

সারাদেশ বিনোদন ডেস্ক

 

‘পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের/কখনোই ভয় করি নাকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের, একই হাসিমুখে বাজায়েছি বাঁশি, গলায় পড়েছি ফাঁস/আপোস করিনি কখনোই আমি এই হলো ইতিহাস।’ মঞ্চের আলো আঁধারি থেকে ভরাট কণ্ঠে সৈয়দ শামসুল হকের এই কবিতাটি দৃপ্ত উচ্চারণে আবৃত্তি করতে করতে আলোতে আসেন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা।

গতকাল ২৫ এপ্রিল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এভাবেই শুরু হয় আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফার একক আবৃত্তি সন্ধ্যা। দেশের অন্যতম আবৃত্তি সংগঠন ‘তারুণ্যের উচ্ছ্বাস’ প্রতিষ্ঠার যুগপূর্তি উপলক্ষে দর্শনীর বিনিময়ে বছরব্যাপী যুগপূর্তি অনুষ্ঠানমালার চতুর্থ নিবেদন হিসেবে ‘আপোস করিনি কখনোই আমি, এই হলো ইতিহাস’ শিরোনামে শিমুল মুস্তাফার এই একক আবৃত্তি সন্ধ্যার আয়োজন করে। বারকোড রেস্টুরেন্ট গ্রুপের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে আবৃত্তিশিল্পী মুজাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা মঞ্জুরুল হক। এ সময় তিনি শিমুল মুস্তাফাকে উত্তরীয় এবং স্মারক উপহার তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর শিমুল মুস্তাফা প্রেম, দ্রোহ, প্রকৃতি ও ইতিহাসমাখা প্রায় ৩০টি কবিতা আবৃত্তি করেন। তিনি একে একে আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাঁশি, কাজী নজরুল ইসলামের কামাল পাশা, শক্তি চট্টাপাধ্যায়ের অবণী বাড়ি আছো, হুমায়ূন আজাদের আমাদের মাসহ কবি শামসুর রাহমান, নির্মলেন্দু গুণ, সলিল চৌধুরী, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পুর্ণেন্দু পত্রি, জয় গোস্বামী ও রফিক আজাদের বেশকিছু কবিতা। অনুষ্ঠানের আবহ প্রক্ষেপণে ছিলেন নিখিলেশ বড়ুয়া ও রনি দে। বছরব্যাপী যুগপূর্তি অনুষ্ঠানমালা প্রসঙ্গে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস সাধারণ সম্পাদক আবৃত্তিশিল্পী মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে কবিতার বিশুদ্ধ কথামালাকে শক্তি করে বিগত একযুগ তারুণ্যের উচ্ছ্বাস সমৃদ্ধ হয়েছে নানা আয়োজন উত্সবে অভিজ্ঞতায়। এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।’