সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল নিউ লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলের ভিতরে র্যাব পুলিশের সোর্স মিন্টু ওরফে জামাই মিন্টুর অস্ত্রের মহড়া ও ফাঁকা গুলি করার ঘটনা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা। প্রকাশ্যে এভাবে অস্ত্রের মহড়া ও ফাঁকা গুলি করার ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জের আইন-শৃংখলা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। জনমনে চলছে আতংক। এলাবাসীর প্রশ্ন, কেন এই অস্ত্রের মহড়া? আইন-শৃংখলা বাহিনী নীরব কেন?
এক সময় মিন্টু গোদনাইল বার্মাস্ট্যান্ড এলাকার চোরাই তেলের কারবার শুরু করে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মিন্টু গড়ে তুলে চোরাই তেল কারবারের একাধিক আস্তানা। চোরাই তেলের পুরো কারবার পরিচালনা করতো সন্ত্রাসী কায়দায়। চোরাই তেলের এই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে গড়ে তুলে একটি শক্তিশালী সন্ত্রাসী বাহিনী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মূল হোতা বনে যাওয়ার সুবাদে সখ্যতা গড়ে উঠে র্যাব-পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার সাথে। এরপর থেকেই নিজ স্বার্থে জামাই মিন্টু র্যাব ও পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করছে।
যে অস্ত্রটি নিয়ে সন্ত্রাসীরা মহড়া দিয়েছে সে অস্ত্রটির মালিক জালকুড়ির মেসার্স বুশরা ট্রেডার্সের মালিক চোরাই জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী মিন্টুর পার্টনার মাসুম শেখের।
এ বিষয়ে মাছুম শেখ যা বলেন-এটি আমার লাইসেন্স করা বৈধ অস্ত্র। জামাই মিন্টু আমার গানম্যান হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত। তাই আমার এ অস্ত্রটি তার হাতেই থাকে। লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলের ভিতরে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করার ব্যাপারে মাসুম শেখ বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে তার লোকজন নিয়ে তার পরিচিত একজনের বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন।
