দেড় মাসেও চালু হয়নি ভোলার বিকল রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৩, ২২:৫৫
ভোলায় চরম বিদ্যুত্ সংকট চলছে। ৩৪.৫ মেগাওয়াট বিকল রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি দেড় মাসেও চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ভারত থেকে একজন বিদ্যুত্ বিশেষজ্ঞসহ একটি টিম গত শুক্রবার ভোলায় এসে কাজ শুরু করলেও গতকাল শনিবার বিকাল পর্যন্ত ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারেনি। তবে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কবে নাগাদ চালু করতে হবে, এ সমপর্কেও বিশেষজ্ঞ দল সরাসরি মুখ খুলছেন না। তবে ভোলার ওজোপাডিকোর আবাসিক প্রকৌশলী রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে জানান, দেড় মাসেও বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি চালু করা সম্ভব নাও হতে পারে। এক বছর আগে একই রকম ত্রুটি দেখা দেয়ায় বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি মেরামত করে চালু করতে আড়াই মাস লেগে যায়। রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমেদ জানান, মেরামতের জন্য সময়তো লাগবেই। তবে বিশেষজ্ঞ দল আরো ২ দিন কাজ করবেন। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে আরেকটি বিশেষজ্ঞ দল এসে মেরামত কাজ শুরু করবে । এদিকে ঈদের পরদিন এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি বিকল হওয়ার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বরিশাল-ভোলা ৩৩ কেভি গ্রিড লাইনের সাড়ে ৩ কিলোমিটার কালাবাদর নদীর তলদেশে এখনও সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা না হওয়ায় ঐ লাইনে ভোলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ শুরু হয়নি। কালাবাদর নদীতে সাড়ে ১০ কিলোমিটার ৩টি ক্যাবল ফেলার পূর্বে বরিশালের লাহারহাটে জয়েন্টের কাজ চলছে। পর্যাপ্ত মালামাল না থাকায় ভোলার উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুল মাজেদকে মালামাল আনতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে বিদ্যুত্ বিভাগ জানায় । ভোলার আবাসিক প্রকৌশলী গতকাল দুপুরে জানান, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে ভোলা বরিশাল লাইনটি চালু হতে পারে । ভোলার ২০ মেগাওয়াট চাহিদা মেটাতে রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রের কোন বিকল্প নেই। তবে বরিশাল-ভোলা লাইনটি চালু হলে লো-ভোল্টেজ যন্ত্রণা দূর হবে। বর্তমানে পটুয়াখালী থেকে যে স্বল্প পরিমাণ বিদ্যুত্ দেয়া হচ্ছে তাতে শতকরা ৫০ ভাগ এলাকারও চাহিদা মিটছে না। বরং ব্যাপক লোডশেডিং, লো-ভোল্টেজে ২০ লাখ মানুষের ভোগান্তি আরো বেড়েছে।