পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সন্ধ্যা, কচা ও কালীগঙ্গা নদীর ভাঙনে পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মানচিত্র। সোনাকুর, হোগলা, বেতকা, সয়না, রঘুনাথপুর ও গন্ধর্ব এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে শত শত পরিবার এখন পথে বসেছে। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে কিংবা রাস্তাঘাটে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে ভিক্ষা করে জীবনধারণ করছে। ২৫-৩০ বছর ধরে অব্যাহত নদীভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
হাতেম আলী, আঃ হক, দেলোয়ার, নূরজাহান জানান, এক সময় তাদের সবকিছু ছিল, আজ তারা অসহায়। তারা বেঁচে আছে মানুষের দয়ায়। উপজেলা পশ্চিম পাড়ের ১৪টি গ্রামে ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি দাখিল মাদ্রাসা, ১৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় ছাত্র-ছাত্রী ঝরে পড়ার সংখ্যা বাড়ছে।
