আমাদের দেশে রাস্তাঘাটে মাইক ও ব্যান্ড বাজিয়ে অহরহ আনন্দ মিছিল করতে দেখা যায়। তারপর জনসভার জন্য মাইকের চিত্কার এমনকি মহল্লায় মহল্লায় ৩ বা ৪ দিনের ওয়াজ মাহফিলের জন্য মাইকের যন্ত্রণা আরো বিরক্তিকর। ওয়াজের বিরুদ্ধে এ লেখা নয়। এ লেখা শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে। ক্ষয়ক্ষতির দিকটা কারো অজানা নয়। মাথা ধরা, বধিরতা, মানসিক রোগ সবই এই দূষণের কারণ। শব্দ দূষণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালের সামনে উচ্চৈঃস্বরে মাইক বা গাড়ির হর্ন বাজানো এখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। মহল্লায় বা আবাসিক এলাকায় অকারণে গাড়ির হর্ন ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মিটিং, মিছিল ও ওয়াজ মাহফিলে মাইকের শব্দ সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়। এছাড়াও ভোটে এক অভিনব কালচারে পরিণত হয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের মানবিকতা, মূল্যবোধ, দায়িত্ব ও কর্তব্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। শব্দদূষণ কমানোর দায় কি শুধু পুলিশের ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের? সুনাগরিক হিসেবে আমাদেরও কি কোনো দায়িত্ব নাই।
মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী
১৭ ফরিদাবাদ-গেইণ্ডারিয়া, ঢাকা ১২০৪
