নির্বাচন কমিশনে সেই বিএনএফের তদন্ত প্রতিবেদন

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৩, ২৩:১২
মাঠ পর্যায়ে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) কমিটি ও দপ্তর সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এসেছে। ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মিছবাহ উদ্দিন আহমদ গতকাল রবিবার এসব প্রতিবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। এ বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধনের জন্য ৪১টি দল আবেদন করেছিল। এরমধ্যে প্রাথমিকভাবে ইসি বিএনএফ ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটকে নিবন্ধন দেয়ার জন্য বিবেচনায় নিয়েছে। বিএনপি বিএনএফকে নিবন্ধন না দেয়ার জন্য ইসিকে অনুরোধ জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য ‘গমের শীষ’ প্রতীক দিয়ে বিএনএফকে নিবন্ধিত করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন অনুযায়ী ২২টি জেলা ও ১০০টি উপজেলায় দলের কমিটি ও দপ্তর থাকতে হবে। কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়, আবেদনে বিএনএফ ৩৬ জেলা ও ১৩৪ উপজেলায় তাদের দপ্তর ও কমিটি আছে বলে উল্লেখ করেছিল। তবে ইসির প্রাথমিক তদন্তে ১৯ জেলা ও ৩২ উপজেলায় দপ্তর ও কমিটির হদিস পাওয়া যায়। এরপর ৪ আগস্ট বিএনএফ সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে বলেছে, একটি বিশেষ দল বিভিন্ন উপজেলায় তাদের দপ্তর ভেঙে দিয়েছে। ইসি দ্বিতীয় দফার তদন্ত করে ২৬ জেলা ও ৮৮ উপজেলায় বিএনএফের দপ্তর খুঁজে পেয়েছে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা এসব তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এ সময় বিএনএফের প্রধান সমন্বয়কারী এসএম আবুল কালাম আজাদ ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় উপস্থিত ছিলেন এবং তাকে বিভিন্ন কাগজপত্রে লেখালেখি করতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবুল কালাম আরো বলেন, আমরা প্রতীক হিসেবে এখন আর ‘গমের শীষ’ চাই না। নিবন্ধন পাওয়ার ব্যাপারেও শতভাগ আশাবাদী না। কারণ একটি বিশেষ দল আমাদের বিরোধিতা করছে।