উপজেলার জলমা ইউনিয়ন পূজা উদ্যাপন কমিটির সম্পাদক ঠিকরাবন্দ গ্রামের সুরঞ্জন সুতারকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ করেছে একদল সন্ত্রাসী। শনিবার রাত ৮টার দিকে জয়খালী গ্রাম থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। অপহরণ কালে তার সঙ্গে থাকা ডা. কুমুদ রঞ্জন গুরুতর আহত হয়ে গল্লামারির একটি ক্লিনিকে চিকিত্সাধীন আছেন। ঘটনার পর ১৬ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও সুরঞ্জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সুরঞ্জন তার নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে কৈয়া বাজারে যান। বাজার শেষে স্থানীয় ডা. কুমুদ রঞ্জনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তারা সাতক্ষীরা-খুলনা সড়কের জয়খালী নামক স্থানে পৌঁছালে সামনের দিক থেকে ৩টি মোটরসাইকেলে আসা ৮/৯ জন সন্ত্রাসী তাদের গতিরোধ করে। সন্ত্রাসীরা ডা. কুমুদকে মোটরসাইকেল থেকে নামাতে তাকে ছুরিকাঘাত করলে তিনি লুটিয়ে পড়েন। দুর্বৃত্তরা তখন সুরঞ্জনকে নিয়ে খুলনা অভিমুখে চলে যায়।
বটিয়াঘাটা থানার ওসি এনামুল হক এ প্রসঙ্গে ইত্তেফাককে বলেন, সুরঞ্জনকে উদ্ধারের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অপহূতের পিতা নারায়ণ সুতার বাদি হয়ে মামলা করেছেন। মামলার আসামি হিসেবে ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা উপজেলার ২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
