পণ্য আমদানিতে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকায় দেশে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে। গত অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে ২৩১ কোটি ডলার বা ২৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রাথমিক হিসেবে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭০১ কোটি ডলার। যা এর আগের অর্থবছর শেষে ছিল ৯৩২ কোটি মার্কিন ডলার।
এদিকে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে বা ব্যালেন্স অব পেমেন্টে (বিওপি) ৪৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার ঘাটতি ছিলো। যদিও এর আগের অর্থবছরে বড় অঙ্কের উদ্বৃত্ত ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছরে আমদানি (ইপিজেডসহ) হয়েছে তিন হাজার ৩৫৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা ২০১১-১২ অর্থবছরে হয়েছিলো তিন হাজার ৩৩০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসেবে গত অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে রফতানি (ইপিজেডসহ) হয়েছে দুই হাজার ৬৫৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর ২০১১-১২ অর্থবছরে রফতানি হয়েছিল দুই হাজার ৩৯৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে রফতানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১১-১২ অর্থবছরে এক হাজার ২৭৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে। যা গত অর্থবছরে এ খাতের মাধ্যমে আয় হয়েছে এক হাজার ৪৩৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সে হিসেবে গত অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি রেমিটেন্স এসেছে দেশে।
গত অর্থবছরে প্রাথমিক আয়ে ঘাটতি আরো বেড়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রাথমিক আয়ে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৩১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। যা এর আগের অর্থবছরে ঘাটতি হয়েছিলো ১৫৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসেবে গত অর্থবছরে প্রাথমিক আয়ে ঘাটতি বেড়েছে ৪৯ শতাংশ।
