ফুডজোন :ওয়াটারক্রেস

স্বাদের সমীকরণে

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৩, ১৯:৩০
শান্তা টাওয়ারের প্রবেশের পর বিশাল এক চলন্ত সিঁড়ি পেরোতে হবে আপনাকে। এরপরই কাচে ঘেরা অন্যরকম এক ভুবনের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। ঢুকতেই স্মার্ট তরুণ-তরুণীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দেবে এখানকার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হতে চলেছেন আপনি। প্রায় ছ’হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল জায়গা। বসার জায়গাগুলোও তাই সুপরিসরে করা হয়েছে। কোথাও সোফা, কোথাও বা চেয়ার-টেবিলে সাজানো। এতটুকু কার্পণ্য নেই আরামদায়ক এক আবহ দিতে। ১৩২ জন একসাথে বসতে পারেন এখানে। পার্টি হলে অবশ্য কথা আলাদা, সেই মাফিক ওরাই আপনাকে সাজিয়ে দেবে। বিষয় যেহেতু রেস্তোরাঁ তাই খাবারের কথাটাই এখনই জানিয়ে দিই। ওয়াটারক্রেসের খাবারের থিম হচ্ছে ফিউশান। মূলত তিন ঘরানার খাবার রয়েছে তাদের সমাহারে। প্যান এশিয়ান, কন্টিনেন্টাল আর সাব কন্টিনেন্টাল। সেই খাবারের তালিকাও বেশ দীর্ঘ। স্যুপ, সালাদ থেকে শুরু করে নুডুলস, বিরিয়ানি, নান, কাবাব, পাস্তা, পিত্জা কি নেই তাদের মেন্যুতে। দামটা অবশ্য একটু বেশি মনে হলেও মুখে খাবারটা তোলার পর মনে হবে, নাহ! ঠিকই আছে। ৪৯৫ থেকে শুরু করে ৯৯৫ টাকার মধ্যে পাবেন এই মেন্যুগুলো। তবে স্টেকের মতো মজাদার খাবারগুলোর জন্য হাজার তিনেক টাকা পর্যন্ত গুনতে হবে আপনাকে। এখানে ছোটখাটো অফিস বা ফ্যামিলি পার্টিও হচ্ছে নিত্যদিন। খাবারের জন্য যখন অপেক্ষা করবেন তখন চোখ যাবেই আশপাশে। এর অন্দরসাজে পাশ্চাত্যের ছোঁয়া রয়েছে, আলো-আঁধারিতে রঙের খেলাও নজরকাড়া করে তোলা হয়েছে। আর খাবারের ফরমায়েশ দেওয়ার পর সেটার তৈরি প্রক্রিয়াটাও দেখে নিতে পারেন ওপেন কিচেন থেকে। আর একটা জিনিস না জানালেই নয়, এত্ত এত্ত খাবার তৈরি করবেন যিনি, তিনি সুদূর আমেরিকা থেকে এসেছেন। ১৮ বছরের শেফের অভিজ্ঞতা, এমনকি ওয়েস্টিনের বিদেশি শাখাতেও এক্সিকিউটিভ শেফ ছিলেন তিনি। সবকিছুর পরে তাদের বেভারেজ আইটেমগুলোতে চোখ বুলাতে ভুলবেন না। জমপেশ এক খাবারের পর মোহনীয় কিছু বেভারেজ ছাড়া পূর্ণতা আসে কী খাওয়াতে! এ ক ন জ রে কোথায় :তৃতীয় তলা, শান্তা ওয়েস্টার্ন টাওয়ার, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন :০১৭৬২৪৪৪৫৫৫। উল্লেখ্য, এখানে রয়েছে গাড়ি পার্কিং সুবিধাও। কখন যাবেন :সপ্তাহে সাতদিনই খোলা থাকছে সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। বিশেষত্ব :খাবারের স্বাদ, মান সেই সাথে পরিবেশ। আর শুধুই খাবার কেন, এখানের অভিজ্ঞতাটাও যেন স্মরণীয় হয়ে থাকে সেই প্রচেষ্টাই থাকে এখানকার সবার মাঝে।