দেশি প্রযুক্তি ব্যবহারে সারের সাশ্রয়

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৩, ২০:৫৭
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফাম মেশিনারি এ্যান্ড পোস্ট হারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগের ব্রি দানাদার ও গুটি ইউরিয়া সারের প্রয়োগ যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে ৫০ শতাংশ সার সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশও আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ হবে। গত রবিবার মিঠাপুকুর উপজেলায় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত দানাদার ইউরিয়া সার প্রয়োগ যন্ত্রের মাঠ দিবসে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি গাজীপুরের এফএমপিএইচটি প্রধান ও পিএস ড. মো. আব্দুর রহমান। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোরম্যান মেহের পাল, মেকানিক আবু হানিফসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা আরও বলেন, দেশে ব্যবহূত মোট ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশ ধান উত্পাদনে ব্যবহার হয়। ধানের জমিতে প্রয়োগকৃত ইউরিয়া পর্যায়ক্রমে গ্যাস হয়ে বাতাসে উড়ে যায়, মাটির নিচে চলে যায় অথবা পানির সাথে মিশে গিয়ে অন্য জমি অথবা খালে গিয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফাম মেশিনারি এ্যান্ড পোস্ট হারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগ ব্রি দানাদার ও গুটি ইউরিয়া সারের প্রয়োগ যন্ত্র আবিষ্কার করে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সার প্রয়োগ করা হলে ৫০ শতাংশ সার সাশ্রয় হবে। বক্তারা বলেন, ব্রি উদ্ভাবিত এই প্রয়োগ যন্ত্রটি হস্তচালিত। রংপুরেই এটা প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। একজন শ্রমিক দিয়ে খুব সহজেই যন্ত্রটি চালানো সম্ভব। এই যন্ত্রের মাধ্যমে একসাথে দুই সারিতে ইউরিয়া প্রয়োগ করা যায়।