দেলদুয়ারের এলাসিনে ধলেশ্বরী সেতু উদ্বোধনের প্রহর গুনছে। আগামী আক্টোবরে সুেতটির উদ্বোধনের কথা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার ও নাগরপুরবাসীর জোর দাবি সেতুটির নামকরণ যেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শামছুল হকের নামে হয়। টাঙ্গাইলবাসীর অভিযোগ যে মানুষটি নিঃস্বার্থভাবে দলের জন্য ও দেশের জন্য কাজ করেছেন দল থেকে শামছুল হকের স্মৃতি রক্ষায় কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি শামছুল হকের বাড়ির পার্শ্বের ধলেশ্বরী সেতুর নামকরণ যেন তার নামে হয়। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শামছুুল হকের পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সদ্য স্বাধীন পাকিস্তানে বাঙ্গালীর নিজস্ব আত্মপ্রকাশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী মুসলিমলীগের সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামছুল হক ও যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত অনেকেই শামছুল হককে পূর্ব পাকিস্তানের ভবিষ্যত্ চিফ মিনিস্টার বলে কল্পনা করতেন। কারণ শামছুল হককে তখন বলা হতো বেবি জিন্নাহ। মি. জিন্নাহ তাকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ অর্গানাইজার পদে ভূষিত করেন। সেই নিরিখে তিনি তদানীন্তন প্রাদেশিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী নুরুল আমিনের বিষ দৃষ্টিতে পড়েন । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শামছুল হক ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ১৯৩৯ সাল থেকে নিখোঁজের পূর্ব পর্যন্ত এই মহান দুই নেতা একত্রে সংগ্রাম করেছেন। মহান এই নেতার নামে ধলেশ্বরী সেতুর নামকরণ করা হলে কিছুটা হলেও দলীয় দায় পালন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাদের দাবি ধলেশ্বরী সেতুর নামকরণ যেন শামছুল হকের নামে করা হয়।
