গাইবান্ধার ৫ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তত্পরতা শুরু

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৩, ২২:৪৪
আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে ইতিমধ্যেই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তত্পরতা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেতে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ, অভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, ইফতার মাহফিল ও বিভিন্ন উপলক্ষকে কেন্দ্র করে ভোটারদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। আবার অনেকেই পোস্টার, ব্যানার এর মাধ্যমে ভোটারদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন । এই জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে গতবারের নির্বাচনে মহাজোটভুক্ত আওয়ামী লীগ ৩টিতে ও জাতীয় পার্টি (এ) ২টিতে জয়লাভ করে। তবে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ১টি, বিএনপি ১টি, জাতীয় পার্টি (এ) ২ টি ও জামায়াতে ইসলামী ১টি আসনে জয়লাভ করেছিল। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি কর্নেল (অব.) ডা. আব্দুল কাদের খান, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা জাপা সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সুন্দরগঞ্জ পৌর জাপা সভাপতি আব্দুর রশিদ সরকার ডাবলু ও জাপা নেতা শিল্পপতি নওশের আলী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন, বিএনপির উপজেলা সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আব্দুল আজিজ নিজ নিজ দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে এলাকায় সভা-সমাবেশ অব্যাহত রেখেছেন। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য মাহাবুব আরা বেগম গিনি, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট সৈয়দ শামস উল আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক দল থেকে মনোনয়ন চাইবেন। অন্যদিকে বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুজ্জামান খান বাবু, জেলা জিয়া পরিষদের সদস্য সচিব খন্দকার আহাদ আহমেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট হামিদুল হক ছানা, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান টুলু এবং জাপা (এ) থেকে গাইবান্ধা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি ও জেলা জাপার সভাপতি আব্দুর রশীদ সরকার মনোনয়ন পাবার জন্য জনসংযোগ শুরু করেছেন। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ি) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ড. টি আই এম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. ইউনুস আলী সরকার, সাধারণ সম্পাদক সাহারিয়ার খান বিপ্লব, পলাশবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুত্, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার (অব.) মো. মাহমুদুল হক, সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি অধ্যক্ষ জাকারিয়া খন্দকার, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, কেন্দ্রীয় জাসদ নেতা খাদেমুল ইসলাম খুদি, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. ময়নুল হোসেন সাদিক, মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, জামায়াতে ইসলামীর গতবারের এমপি প্রার্থী মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু ও জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে এডভোকেট ফজলে করিম আহমেদ পল্লব নিজ নিজ দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, গোবিন্দগঞ্জের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিদ্দিক হোসেন চৌধুরী, বিএনপির উপজেলা বিএনপি সভাপতি আ. মান্নান মন্ডল, বিএনপি নেতা ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম কাওছার লিংকন, ড্যাব নেতা ডা. ইকবাল হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর ও এ আসনের গতবাবের চারদলীয় জোট প্রার্থী প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জাতীয় পার্টি (এ) উপজেলা সভাপতি লুত্ফর রহমান চৌধুরী ও গতবারের জাপা প্রার্থী আলী মাহবুব নিজ নিজ দল থেকে মনোনয়ন চাইবেন। গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য এডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি বেগম রওশন এরশাদ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, বিএনপি থেকে গতবারের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাছান আলী সরকার, বিএনপি নেতা নাজমুল ইসলাম নয়ন, সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হেডমাস্টার আব্দুল্যা আকন্দ, সাবেক ছাত্রনেতা ও জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ আরশাদুল কবীর রাঙ্গা প্রমুখ মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে এলাকায় বিভিন্ন নির্বাচনী তত্পরতা শুরু করেছেন।