আসছে সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে আসার কথা রয়েছে অ্যাপল’র নতুন আইফোনের। বিশ্বব্যাপী নতুন এই আইফোন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে নানা রকম জল্পনা-কল্পনা। এর কনফিগারেশন কেমন হবে, নতুন কী ধরনের ফিচার যুক্ত হবে এতে—এসব আলোচনা থেমে নেই কোথাও। প্রযুক্তি বিশ্বে চলতে থাকা নানা ধরনের জল্পনা-কল্পনার মধ্যে স্বল্পমূল্যের এবং একাধিক ডিজাইনের আইফোনও রয়েছে আলোচনায়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাদের সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে এরই পুনরাবৃত্তি করেছে। তাদের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপল আগামী মাসে দুইটি ভিন্ন মডেলের আইফোন বাজারজাত করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তাইওয়ানে যে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে অ্যাপল আইফোন বানিয়ে নিয়ে থাকে, তাদেরও ভিন্ন দুইটি মডেল সরবরাহ করার কথা জানিয়েছে অ্যাপল। এই দুইটি মডেলের মধ্যে একটি হবে তুলনামূলকভাবে কম দামের। সূত্র উল্লেখ না করলেও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, বিশ্বস্ত সূত্রেই তারা এই খবর পেয়েছে। ফক্সকনের কাছ থেকেই অ্যাপল তাদের আইফোনগুলো বানিয়ে থাকে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, এবারে ফক্সকন নতুন নতুন সব ফিচার নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড আইফোন তৈরির পাশাপাশি কিছু কম ফিচারের কমদামী আইফোনও তৈরি করছে। কমদামী আইফোনের কনফিগারেশন কিংবা ফিচার কী হবে, সে বিষয়ে অবশ্য কোনো তথ্য জানায়নি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এ বিষয়ে অবশ্য এখনও অ্যাপল’র আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, স্যামসাংসহ অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাতারা স্বল্পমূল্যের অ্যান্ড্রয়েড বাজারে নিয়ে আসার কারণে এই স্তরের বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতেই কমদামী আইফোন নির্মাণের দিকে ঝুঁকে পড়েছে অ্যাপল। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে স্যামসাংয়ের তুলনায় বাজারে বেশ খানিকটা পিছিয়েও পড়েছে অ্যাপল। বিশেষ করে কমদামী স্মার্টফোনের বাজারে অ্যাপল পিছিয়ে রয়েছে অনেকটা। এই কারণেই নিজেদের বাজারকে চাঙ্গা করতে সব ধরনের প্রচেষ্টাই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অ্যাপল’র। এ সম্পর্কে অবশ্য আসছে সেপ্টেম্বরে অ্যাপল ইভেন্টের আগে এ সম্পর্কে অ্যাপল’র কোনো বক্তব্য পাওয়া যাবে না বলেই মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
