গতকাল মঙ্গলবার শেয়ারবাজারের সূচক মিশ্র প্রবণতার মধ্য দিয়ে গেলেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৪৮ শতাংশ বেড়ে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০৬ কোটি টাকায়। যা গত কয়েকদিনের ধারাবাহিকতা থেকে অনেক বেশি। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজারে লেনদেন কমতে কমতে দুই তিনশ’ কোটি টাকায় নেমে আসে। তবে ঈদের পর থেকে বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার ফলে লেনদেন বাড়তে শুরু করে।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনের শুরুতে সূচকে বড় ঊর্ধ্বগতি থাকলেও মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় দিনশেষে তা বজায় থাকেনি। ফলে টানা ৬দিনে আড়াইশ’ পয়েন্ট বাড়ার পর গতকাল তা কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। বড় মূলধনের কোম্পানিগুলোর বিক্রির প্রবণতার ফলেই সূচক কিছুটা কমেছে। এদিকে ডিএসই’র সূচক ৪ হাজারের ঘরে উন্নীত হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিস্থিতিও স্থিতিশীল থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭০৬ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৩১ কোটি টাকা ১৭ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩টির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং গ্রামীণ ওয়ান-স্কিম টু ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। গত সোমবার এ দুই ফান্ডের ট্রাস্টি বোর্ড ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ইউনিট হোল্ডারদের ২০ শতাংশ ক্যাশ এবং গ্রামীণ ওয়ান-স্কিম ২ এর ইউনিট হোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।
