নোয়াখালীর কবিরহাটে আবুল হাসেম (৬০) নামে এক ট্রাক্টর চালককে পিটিয়ে আহত করার পর রবিবার রাতে সে মারা যায়। হত্যার ঘটনা চেপে যাওযার খবর জানতে পেরে এসপি আনিসুর রহমান কবিরহাট থানার ওসিকে লাশ উদ্ধারের নির্দেশ দেন। রাতে নিহতের বাড়ি গিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। সোমবার সকালে ময়না তদন্ত শেষে পুলিশ পাহারায় লাশ দাফন করা হয়।
ওসি মাহবুব আলম জানান, জমিতে চাষ না দেয়ায় শনিবার রাতে চর নলুয়া গ্রামের ট্রাক্টর চালক আবুল হাসেম ও তার এক পুত্রকে আবুল কালাম ও তার ছেলে সাহাবউদ্দিন এবং মোশাররফ হোসেনসহ একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী ভূঞারহাট বাজারে মারধর করে। আহত অবস্থায় পিতা ও পুত্রকে নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল আলম ভূঞা হাসপাতাল থেকে আবুল হাসেমকে বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে আবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও রাত ৮টার দিকে সে মারা যায়। পুলিশকে না জানিয়েই চেয়ারম্যান হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে যায়। নিহতের পুত্র বাবলুর অভিযোগ, বাড়িতে লাশ রেখে মীমাংসার জন্য বাজারে সালিশ করতে বসেন ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি পুলিশকে জানাতে বারণ করেন এবং এজন্য তার পরিবারকে ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে বলে ইউপি চেয়ারম্যান প্রস্তাব দেন। কিন্তু তারা টাকা নিতে রাজি হননি।
