পলাশের সানের বাড়ির জঙ্গলে গুপ্তহত্যার শিকার ও বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফনকৃত শিশু রাজুর লাশ ৭ দিন পর গতকাল মঙ্গলবার নরসিংদী স্টেশন সংলগ্ন বেওয়ারিশ কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। নিহত শিশু রাজুর মায়ের দায়েরকৃত মামলা ও আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নরসিংদীর সিজেএম নিতাই চন্দ্র সাহার নির্দেশে এ লাশ উত্তোলন করা হয়।
জানা গেছে, নরসিংদী শহরের বাসাইল মহল্লার মোস্তফা মিয়া তার ভিটি বাড়ির ৪ শতাংশ জমি বিক্রি করে পলাশ উপজেলার চরনগরদী গ্রামে গিয়ে একটি চৌচালা টিনসেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস করতে থাকেন। বাসাইলের বাড়িটি বিক্রি করার পর থেকেই কতিপয় চাঁদাবাজ মোস্তফা মিয়ার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে মোস্তফা মিয়ার শিশু সন্তান রাজু মিয়াকে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। গত ১২ আগস্ট সকাল ১০টায় জনৈক শাকিল ক্রিকেট খেলার কথা বলে মোস্তফা মিয়ার ছেলে রাজুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে হত্যা করা হয়।
এ অবস্থায় রাজুর মা এ ব্যাপারে নরসিংদীর বিজ্ঞ সিজেএম আদালতে শাকিল, সোহরাব, মুন্না, শিপন ও আল-আমিনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সিজেএম নিতাই চন্দ্র সাহা শিশু রাজুর লাশ উত্তোলন করে পরিবারের নিকট হস্তান্তরের নির্দেশ প্রদান করেন।
