শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৩, ২০:১৭
দিনভর ওঠানামার মধ্যে দিনশেষে দেশের শেয়ারবাজারের সূচক কমেছে। টানা ছয় কার্যদিবস সূচক বাড়ার পর গত দুইদিন সূচক কিছুটা কমেছে। সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনও কিছুটা কমেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কার পরও লেনদেন পাঁচশ’ কোটি টাকার উপরে হচ্ছে। এটা ইতিবাচক। লেনদেনের এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আস্থার সঞ্চার হবে। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিনের দর বৃদ্ধির পর মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় স্বাভাবিক নিয়মেই গতকাল দরপতন হয়েছে। তাছাড়া বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবও এক্ষেত্রে কাজ করেছে। নীট বিনিয়োগ ও পুনঃবিনিয়োগ কমে যাওয়ায় লেনদেনও কমে গেছে। বাজারে লেনদেনের মধ্যে গতকালও সর্বোচ্চ অবদান ছিল জ্বালানি খাতের। এরপরই অবস্থান পোশাক খাতের। আর দর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল ট্যানারি খাত, পোশাক খাত, সিমেন্ট খাত এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ার। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৩ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৬৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৬৫ কোটি ১৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা ৬৯ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৭টির, কমেছে ১৪৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর রাইট শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বা করপোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন পরিপালন বাধ্যতামূলক করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সুশাসন রক্ষায় ব্যর্থ হলে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে না বলেও জানিয়েছে বিএসইসি। গত ১৮ আগস্ট এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।