জিয়ানগরে প্রবল বর্ষণ ও অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে টানা বর্ষণ ও অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মঙ্গলবার জোয়ারের পানিতে টগড়া-চরখালী ফেরিঘাটের টগড়া প্রান্তের গ্যাঙ্গওয়েটি তলিয়ে যায়। ফলে পথচারী ও গাড়ি মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে ফেরি পার হয়। এসময় অনেক যাত্রীকে রিকশাযোগে পানিতে তলিয়ে যাওয়া গ্যাঙ্গওয়ে পার হতে দেখা যায়। অপরদিকে আমনের বীজতলা ও ক্ষেতে জোয়ারে পানি প্রবাহিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছে চাষি। উপজেলার কঁচা ও বলেশ্বর নদের বেড়ী বাঁধের বিভিন্ন ভাঙ্গা স্থান থেকে জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কঁচা ও বলেশ্বর নদের তীরবর্তী পাড়েরহাট, সাউদখালী, খোলপটুয়া আবাসন, চাড়াখালী গুচ্ছগ্রাম, টগড়া, সেউতিবাড়িয়া, কালাইয়া, ইন্দুরকানী, কলারন, দক্ষিণ কলারন, চন্ডিপুর, সাউদখালী, গাবগাছিয়া, দেবীপুর ও পত্তাশী গ্রামের কৃষিক্ষেত এমনকি অধিকাংশ বসত বাড়িতে প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানি ঢুকছে। জোয়ারের পানি সামান্য বৃদ্ধি পেলেই গ্রাম অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে। ফলে বিপাকে পড়তে হয় বেশিরভাগ স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের। এমনকি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ পর্যন্ত তলিয়ে যায় জোয়ারের পানিতে।
প্লাবিত হয়েছে ভাণ্ডারিয়ায় নিম্নাঞ্চল
ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা জানান,
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও ভাদ্র মাসের পূর্ণিমার জোয়ারের পানি বৃদ্ধির ফলে ভাণ্ডারিয়ায় বেড়িবাঁধ উপচে পানি ভিতরে প্রবেশ করায় ভাণ্ডারিয়াসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
উপজেলার কচা নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার হরিণপালা, জুনিয়া, তেলিখালী, ইকড়ি, ধাওয়া নদমুলায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ভিতরে পানি প্রবেশ করায় আমন মৌসুমে কৃষকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এবং জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিম্নাঞ্চলের কাঁচা, আধাপাকা বাসা- বাড়ির মানুষের দুর্ভোগ ক্রমশই বাড়ছে। উপজেলার কচা ও বলেশ্বর নদের বেড়িবাঁধের বিভিন্ন ভাঙা স্থান থেকে জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে।
