গফরগাঁওয়ে গত ১ সপ্তাহে মণপ্রতি পাট ছিল ১৩শ থেকে ১৪শ টাকা। সিন্ডিকেটের কারণে পাটের বাজার ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় বর্তমানে ১ মণ পাট বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮শ থেকে ৯শ টাকায়। এক্ষেত্রে প্রশাসনের কোন নজরদারি নেই। ফলে বিপাকে পড়েছে পাটচাষিরা।
গত সোমবার স্থানীয় বড় পাটের হাট সালটিয়া, দত্তেরবাজার, শিবগঞ্জ, কান্দিপাড়া, গয়েশপুর বাজারে পাটের সর্বনিম্ন দর ছিল মণপ্রতি ৮শ টাকা। সাধারণ মানের পাট সর্বোচ্চ ৯শ টাকা।
বীরখারুয়া গ্রামের কৃষক হালিমউদ্দিন বলেন, জমি তৈরি, বীজ, পাট বপন, আগাছা নিধন, পাট কাটা, জাক দেয়া, ধোয়া সব মিলিয়ে বিঘাপ্রতি খরচ হয় সাড়ে ৮ হাজার টাকা। এই ১ বিঘা জমিতে পাট উত্পাদন হয়েছে ১২ মণ। যা বিক্রি করে উত্পাদন খরচও উঠছে না। যে হারে বাজারে পাটের দাম কমছে তাতে পাট গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়াবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উপজেলায় উত্পাদিত পাটের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় পাটের দাম কমে যাচ্ছে।
