বেতাগী খাদ্য গুদাম থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাল পাচার হয়ে আসছে। ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা(ওসিএলএসডি), লেবার সর্দার ও কালোবাজারিদের সহায়তায় পাচার হচ্ছে এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন প্রকল্পের প্রধানদের অনুকূলে বরাদ্দকৃত হাজার হাজার টন চাল সরবরাহ করা হয়। এসব বরাদ্দ থেকে ওসিএলএসডি,লেবার সর্দারের যোগসাজশে গোডাউন থেকে ভিজিএফ, ভিজিডি, টিআর,কাবিখা, জিআর, মত্স্য ও রিলিফের চাল গোডাউন থেকে অপসারণকালে কারসাজির আশ্রয় নিয়ে ওজনে কম প্রদান করে এবং গোডাউনে বিধিবহির্ভূতভাবে মজুদ করে। তাদের সুবিধাজনক সময় চোরাপথে বরিশাল, বানারীপাড়া ও বরগুনাসহ বিভিন্ন রুটে পাচার করে আসছে। মঙ্গলবার দুপুরে ভিজিএফ, ১৮ টন রিলিফের চাল বোঝাই একটি বোর্ড ফুলতলা নামক এলাকায় জনতার হাতে আটক হয়। বোর্ডটি হতদরিদ্রদের চাল পাচারের উদ্দেশ্যে বরিশালের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এ ঘটনায়ও সন্দেহের তীর একই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বেতাগী থানায় একটি জিডিও করা হয়। একাধিক চাল ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে বছরের পর বছর ধরে তারা এভাবে চাল পাচার করে আসলেও প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এ ব্যাপারে ওসিএলএসডি শাহ আলম চৌধুরী জানান, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অসত্য। খাদ্য গুদামের লেবার সর্দার শহিদুল ইসলাম মধু খান বলেন, হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমাকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
