ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনা তহবিল ছাড় হবে শিগগিরই

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৩, ২২:৫৭
পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনার অংশ হিসেবে ৯০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার। এ নিয়ে গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বিএসইসি (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন) ও আইসিবির (ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ) মধ্যে ত্রি-পক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। তবে তহবিলের অর্থছাড় সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। বিনিয়োগকারীদের আশা ছিল গতকালই চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তি সই হবে। এরপরই মার্চেন্ট ব্যাংক ও ্ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে অর্থ ছাড় করবে আইসিবি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসএম মুনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বৈঠকে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। বৈঠকে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক একেএম আব্দুল ওয়াদুদসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ ছাড়া অন্য কোন খাতে এ অর্থ ব্যয় হবে না। চুক্তি হয়ে গেলেই আইসিবিকে টাকা দেয়া হবে। তহবিলের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে আইসিবি। ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নয় শতাংশ সুদে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউস থেকে ঋণ পাবেন। এ ঋণ আইসিবি থেকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো পাবে সাত শতাংশ সুদে। আর সরকার আইসিবিকে তা দিচ্ছে ৫ শতাংশ সরল সুদে। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সঙ্গে মেয়াদী ঋণ চুক্তি করবে আইসিবি। উল্লেখ্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ে গত সোমবার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়ার পর মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি নীতিমালা জারি করেছে একই মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তিন বছর মেয়াদি এ তহবিলে ৩০০ কোটি করে মোট ৯০০ কোটি টাকা ছাড় করবে অর্থ বিভাগ। নীতিমালা অনুযায়ী তহবিলের মেয়াদ কার্যকর থাকবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।