ভারতের দিল্লিতে বহুল আলোচিত মেডিক্যাল ছাত্রী ধর্ষণের প্রথম মামলার রায় দেয়া হবে ৩১ আগস্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার এ নিয়ে একটি রুলিং দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। অভিযুক্ত ছয়জনের একজনের মামলা শিশু আদালতে চলছে। এই মামলাটির রায় হবে ওইদিন। খবর এনডিটিভির।
সূত্র জানায়, গত বছর ডিসেম্বরে ওই গণধর্ষণের সময় অভিযুক্ত একজনের বয়স ছিল ১৭ বছর । সর্বোচ্চ আদালতে বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়া স্বামীর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রায় দেয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছিল শিশু আদালত। তার বক্তব্য ছিল, নাবালক অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণে মানসিক ও বুদ্ধিগত পরিপক্কতা বিবেচনায় নেয়া আবশ্যক। এ নাবালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কমপক্ষে ৩ বছর তাকে শিশু সংশোধনাগারে থাকতে হবে। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতের রুলিংয়ের কারণে রায় দেয়ার ব্যাপারে শিশু আদালতের আর কোনো বাধা রইল না। অন্যান্য আসামিদের মামলা দিল্লির একটি দ্রুতবিচার আদালতে চলছে।
গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে শহর থেকে বাসা ফিরছিলেন ২৩ বছর বয়সী এক মেডিকেল ছাত্রী ও তার বন্ধু। কোনো যানবাহন না পাওয়ায় তারা একটি গাড়িতে উঠেন। গাড়ীর চালক ও হেলপারসহ গাড়ীতে থাকা অন্য চারজন মেয়েটিকে চলন্ত গাড়িতে ধর্ষণ ও তার বন্ধুকে বেদম মারপিঠ করে ফেলে দেয়। ১১ দিন পর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ ঘটনা ভারতসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তোলে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী, কংগ্রেস সভানেত্রীসহ শীর্ষনেতারা কঠোর সাজার প্রতিশ্রুতি দেন। ছয় অভিযুক্তের একজন গত মার্চে হাজতে আত্মহত্যা করেন।
