জোকস

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৩, ১৯:১৫
 রাশিয়ার এক ছো্ট্ট শহরের আদালতে এক থুরথুরে বৃদ্ধা মহিলা সাক্ষীকে সরকারি উকিল প্রশ্ন শুরু করার আগে বললেন দাদীমা, আমি হচ্ছি সরকার পক্ষের উকিল। বৃদ্ধা বললেন—থাক তোকে আর নিজের পরিচয় দিতে হবে না। তোর মাকে আমি জন্মাতে দেখেছি। তোর মা যেমন ভালো ছিল তুই ছিলি তেমন বজ্জাত! এইটুকু বয়স থেকে তুই আমার বাড়ির আম চুরি করতিস, স্কুল পালিয়ে সিনেমা দেখতিস। তোর মা এসে কত কান্নাকাটি করত তখন। এখন ভারি উকিল হয়েছিস, আর এসে বলছিস তোকে চিনি কি না? অবশ্যই চিনি, হাড়ে হাড়ে চিনি। বৃদ্ধার কথা শেষ হওয়া মাত্র আদালতে হাসির রোল পড়ে গেল। সরকারি উকিল কি বলবেন গুলিয়ে ফেলে আসামী পক্ষের উকিলকে দেখিয়ে বললেন আপনি উনাকে চেনেন? কে? ওই কালো কোট পরা ইভানভকে? ওটাতো ছেলেবেলা থেকেই হিংসুটে ও হ্যাংলা। কারও ভালো দেখতে পারত না। কেউ ওর খেলনা নিয়ে খেলতে এলেই তাকে মারতে যেত। তার উপর বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করার জন্যও একবার আমার সামনেই ভীষণ মার খেয়েছিল। কলেজে পড়ার সময় পাশের গ্রামের এক মেয়ের সাথে প্রেম করতে যেয়েও তো সেবার ও পাড়ার ছেলেদের হাতে ঠ্যাঙ্গানি খেল। তারপর আমার সাথে আর দেখা না হলেও ও যে উকিল হয়েছে সেটা ওর মামাতো ভাইয়ের কাছে আমি ঢের আগেই শুনেছি। বৃদ্ধার কথা শেষ না হতেই আবার আদালতে হাসির রোল পড়ে গেল। এবার জজ সাহেব কাঠের হাতুড়ি ঠুকে সবাইকে থামিয়ে দিয়ে গম্ভীর গলায় বললেন—আবার যদি কেউ সাক্ষীকে জিজ্ঞেস করেন যে উনি আমাকে চেনেন কিনা? তাহলে আমি তাকে আদালত অবমাননার জন্য জেলে পাঠাব।  ছেলে :মা, আজ আমার এক বন্ধু আসবে। বাসার সব খেলনা লুকিয়ে রেখ। মা :কেন? তোমার বন্ধুর কি হাতটানের অভ্যাস আছে নাকি? ছেলে :না না। তা হবে কেন? তবে ও যদি ওর খেলনাগুলো চিনে ফেলে, তাহলে নিয়ে যাবে না?