চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের নতুন কমিটি বহাল থাকছে। ১১ সদস্যের এ কমিটির কাউকেই বাদ দেয়া হচ্ছে না। তবে ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে অচিরেই ১৫১ জনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির এক শীর্ষ নেতা।
এদিকে নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে গত কিছুদিন ধরে দুই গ্রুপের বিরোধের জের ধরে যারা চট্টগ্রামে বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগসহ নানা ধরনের শৃঙ্খলা বিরোধী তত্পরতা চালিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা। আজ-কালের মধ্যেই দলীয় চেয়ারপার্সন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জানা গেছে।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান গতকাল শুক্রবার বিকালে টেলিফোনে ইত্তেফাককে বলেন, চট্টগ্রামে ছাত্রদলের নতুন কমিটি স্থগিত করা হবে না। তবে বর্ধিত করা হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ছাত্রদলকে নিয়ে কিছু সমস্যা হয়েছে। এ ব্যাপারে ঢাকায় দলের মহাসচিবের সাথে আমিসহ চট্টগ্রামের কয়েকজন বিএনপি নেতার বৈঠক হয়েছে। দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান ইত্তেফাককে বলেন, দলের চেয়ারপার্সন অচিরেই এ ব্যাপারে একটি দিকনির্দেশনা দেবেন বলে আমি আশাবাদী।
প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই গাজী সিরাজউল্লাহকে সভাপতি ও বেলায়েত হোসেন বুলুকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এ কমিটিকে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ‘পকেট কমিটি’ উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে পদবঞ্চিতরা। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা চট্টগ্রাম বিএনপির কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, নতুন সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে আহত করে এবং নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাতের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
