রাবিতে তুহিনের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৩, ২২:৪৫
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল হাসান তুহিনের ওপর বর্বর হামলার ঘটনায় ছাত্র শিবিরকে দায়ী করে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ। গতকাল শনিবার বেলা ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা। এর আগে গত শুক্রবার হামলার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে ছাত্রশিবির। সংবাদ সম্মেলনে রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি আরো বলেন ‘শিবির যতোই রক্তচক্ষু দেখাক না কেন, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের শরীরের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিবিরকে প্রতিরোধ এবং প্রতিহত করবে। হামলা, ভয়ভীতি আর হুমকি দিয়ে ছাত্রলীগকে দমন করা যাবে না।’ এদিকে তুহিনের উপর হামলার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি গতকাল শনিবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো বিক্ষোভ হয়নি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সম্মান দেখিয়ে বিক্ষোভ না করে সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ অন্যদিকে তুহিনের উপর হামলার ঘটনায় গতকাল শনিবার পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো মামলা হয়নি। আহত ছাত্রলীগ নেতার বাবা-মা ঢাকায় অবস্থান করায় মামলা করতে দেরি হচ্ছে বলে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে সৈয়দ আমীর আলী হলের সামনে তুহিনের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ শনিবার পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করেছে। চবিতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল \ প্রধান ফটকে তালা চবি প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটির পর খোলার দিনেই ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এক পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। অপর গ্রুপ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ক্যাম্পাসে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগের দু’টি গ্রুপ। মূল ফটকে তালা দেয়ায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহনকারী নগরমুখী বাস।