গত ৩০ বছর ধরে পাথরের তৈরি একটি কারাগারে আটক আছেন চীনের এক নাগরিক। দোং হেই নামের ওই ব্যক্তির মা-বাবা জানিয়েছেন, মানসিক ভারসাম্যের কারণেই তাকে আটক রাখা হয়েছে। তার চিকিত্সায় কোনো ভাল ফল না আসায় বাধ্য হয়েই তাকে এভাবে আটক রাখা হয়েছে বলে জানান তারা। খবর ডেইলি মিররের।
চীনের ফুজি প্রদেশের লংহেইয়ের নাগিরক দোং হেই ১৯৮৩ সালে ১৬ বছর বয়স থেকে হঠাত্ করে ভারসাম্যহীন আচরণ করতে শুরু করেন। তার বাবা দোং ওয়াতুউ এবং মা জিয়াও হং জানান, মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার পরে দোং হেইকে (৪৬) প্রদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়। তার চিকিত্সায় প্রচুর অর্থ খরচ করা হয়। এক বছর ধরে করা চিকিত্সায় তাদের সমস্ত সঞ্চয় খরচ করা হলেও কোনো ফল আসেনি। এরপর সে অনেকের সাথে খারাপ আচরণ করতে শুরু করে এবং এই ভয় আমাদের মনে আসে যে সে আবার অন্য কাউকে আঘাত করে কিনা। তাই বাধ্য হয়ে বাগানের মধ্যে পাথর দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর তৈরি করা হয় এবং সেখানে আটক রাখা হয়। তার মা-বাবা জানান, এখন তাদের একটাই ভয়, তারা মরে গেলে কে দেখবে দোং হেইকে?।
