নগরদোলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দেশি-বিদেশি সংস্কৃতির শিল্পসমৃদ্ধ বিষয়ের অনুপ্রেরণায় পোশাকে অলংকরণের সুনিপুণ প্রয়োগ। এ ধারায় বিশ্বনন্দিত ইন্দোনেশিয়ান বাটিকের উল্লেখযোগ্য কিছু ডিজাইন রয়েছে তাদের। হাউসটির ডিজাইন স্টুডিওতে কর্মরত এক ঝাঁক তরুণ ডিজাইনারের সৃষ্টিশীলতার কারণেই প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ হচ্ছে এর কালেকশন। স্থানীয় ফেব্রিক, অনুষঙ্গ আর জমিন অলংকরণ মাধ্যমই নগরদোলার কাজের বিশেষত্ব। দেশীয় ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে পোশাকে ফুটিয়ে তুলতেও সচেষ্ট হাউসটি। পোশাকের পাশাপাশি এখানে কারুপণ্যের সম্ভারও আছে। এই ডিজাইনগুলো থেকে মোটিফ নিয়ে সেগুলো সংযোজন বিয়োজন করে আরও অলংকরণের মাধ্যমে নগরদোলার পোশাকে এসেছে নতুনত্ব ও ভিন্ন মাত্রা। এ ছাড়াও কাটিং প্যাটার্নে নিয়ে আসা হয়েছে এ সময়ের ট্রেন্ডি ও প্রচলিত ভাবধারা। নগরদোলা সব সময় হালকা সুতি কাপড়ের প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এ ছাড়াও এখানে রয়েছে নানা ধরনের আরামদায়ক কাপড়ের সমাহার—সুতি, তাঁত, ভয়েল, নিপ, স্লাব, মসলিন, এন্ডি ইত্যাদি। রং নির্বাচনেও নগরদোলা সবসময় ঋতু, প্রথা ও ট্রেন্ডকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। পোশাকের ডিজাইন বৈচিত্র্য ও স্টাইলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পোশাকের নামকরণ করা হয়েছে প্রিমিয়ার, প্রত্যয়, লাবণ্য, ত্রয়ী নামে। ছেলে ও মেয়ে বাচ্চাদের পোশাকেও নজরকাড়া বৈচিত্র্য রয়েছে। পোশাক প্রদশর্নীতে পাওয়া যাবে, শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, ছেলেদের ফতুয়া, মেয়েদের ফতুয়া, স্কার্ট, টপস, শর্ট পাঞ্জাবি, বাচ্চাদের শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফতুয়াসহ সব ধরনের আইটেম। এখানে প্রচলিত ধারার পাশাপাশি অন্যান্য স্টাইলও এসেছে যেমন ঘটি হাতার পাশাপাশি স্লিভলেস, ইন্দো ওয়েস্টার্ন প্যাটার্ন ও নেকলাইনেও পরিবর্তন। সালোয়ারেও পরিবর্তন আনা হয়েছে সময়োপযোগীভাবে। এ সমস্ত পোশাকের কাজের টেকনিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ব্লক, স্ক্রিন প্রিন্ট, টাইডাই, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, হাতের কাজ, কর্ডিং, লেইস, প্যাঁচ পট্টি ইত্যাদি। পোশাকের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ক্রেতাসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার কথা চিন্তা করে।
এ ক ন জ রে
কোথায় :দেশী দশ, বসুন্ধরা সিটি, লেভেল ৭, পান্থপথ।
বন্ধ থাকে :মঙ্গলবার
উদ্যোক্তার বক্তব্য :নগরদোলার সিইও আলী আফজাল বলেন, ‘সভ্যতার শুরু থেকেই সংস্কৃতির বাহন হিসেবে চিত্তাকর্ষক নকশা যুগ যুগ ধরে বাঙালি সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। নগরদোলা আবহমান বাঙালি সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’
