বটিয়াঘাটায় খেয়া থেকে নদীতে ছিটকে পড়ল ৭০ যাত্রী, অনেকে নিখোঁজ

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৩, ২৩:১৪
উপজেলার কাজিবাচা নদীতে পারাপারের ট্রলার থেকে গতকাল সোমবার ৭০ যাত্রী মাঝ নদীতে পড়ে যায়। এতে বেশিরভাগ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ৫ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় মিললেও সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত লাশের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। খুলনা ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোষ্ট গার্ডের সদস্যরা নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। খেয়া পারের সময় ট্রলারে থাকা যাত্রীদের অধিকাংশই ছিল স্কুলের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও মহিলা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিরাট খেয়াঘাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে উপজেলা সদরে আসার সময় মাঝনদী পার হবার পর প্রবল ঘুর্ণিস্রোতের তোড়ে ট্রলারটি এক পাশে কাঁত হয়ে যায়। তখন হুড়োহুড়ি করে ৬০/৭০ জন নদীতে পড়ে যায়। বেঁচে যাওয়া যাত্রী বিরাট গ্রামের আকবর ফকির জানান, তার আপন ছোট ভাই আব্দুস সবুর ফকিরসহ ৭/৮ জন ডুবে গেছে। ইউএনও শান্তি মনি চাকমা খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে সংবাদ দিলে তারা বেলা একটার দিকে লাশের সন্ধান চালায়। খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশীদ নৌবাহিনীকে বিষয়টি জানালে বেলা তিনটার দিকে তারা ঘটনা স্থলে আসে। তার পরপরই কোষ্ট গার্ড একই স্থানে আসার পর তিন বাহিনীর সদস্যরা পৃথক ভাবে তল্লাশী অভিযান শুরু করে। মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ে ফুটবল প্রতিযোগিতা থাকায় খারাবাদ বাইনতলা কলেজিয়েট স্কুলের বহু ছাত্রছাত্রী ট্রলারে ছিল। থানার ওসি এনামুল হক ইত্তেফাককে বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে।